Thursday, February 18, 2016

স্মার্ট ফোনের ব্যাটারি ভাল রাখবেন কী করে?

স্মার্ট ফোনের ব্যাটারি ভাল রাখবেন কী করে?



এ বার হাঁটলেই চার্জ হয়ে যাবে স্মার্টফোন



এ বার হাঁটলেই চার্জ হয়ে যাবে স্মার্টফোন


8
স্মার্টফোনের ব্যাটারি ফুরিয়ে যাওয়া নিয়ে এখন আর চিন্তা করতে হবে না। সঙ্গে নিয়ে ঘুরতেও হবে না চার্জার। শুধু হাঁটলেই চার্জ হয়ে যাবে আপনার স্মার্টফোন। উইসকনসিন-ম্যাডিসন ইউনিভার্সিটির মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ররা তৈরি করেছেন এক নতুন ইলেকট্রনিক ডিভাইস। যার সাহায্যে মোবাইলের ব্যাটারি স্টোরেজ বাড়ানো যাবে। এমনকী, হাঁটলেও চার্জ হয়ে যাবে স্মার্টফোন।
অধ্যাপক টম ক্রুপেনকিন ও সিনিয়র সায়েন্টিস্ট জে অ্যাশলে টেলরের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, প্রযুক্তির সাহায্যে মানব গতির এনার্জি ব্যবহার করে মোবাইল চার্জ করা যাবে। ক্রুপেনকিন বলেন, ‘‘মানুষ হাঁটলে প্রচুর এনার্জি তৈরি হয়। প্রতি জুতোয় ১০ ওয়াট এনার্জি উত্পন্ন হয় যার পুরোটাই নষ্ট হয়। দুটো জুতো থেকে পাওয়া ২০ ওয়াট এনার্জি মুখের কথা নয়। আধুনিক মোবাইল চার্জ করতে এর থেকে অনেক কম এনার্জি প্রয়োজন হয়। সেনা জওয়ানরা যুদ্ধক্ষেত্রে তাঁদের রেডিও, জিপিএস ইউনিট ব্যবহার করতে অনায়াসে এই এনার্জি ব্যবহার করতে পারেন। এই এনার্জি দিয়ে রোজকার জীবনে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, ল্যাপটপ, ফ্লাশলাইট চার্জ করা যেতে পারে। স্মার্টফোন চার্জ করতে দু’ওয়াটেরও কম এনার্জি লাগে। আমরা চেষ্টা করছি বিশেষ পদ্ধতির সাহায্যে মানব গতি থেকে উত্পন্ন এনার্জিকে ইলেকট্রনিক এনার্জিতে রূপান্তরিত করতে।’’
সায়েন্টিফিক রিপোর্ট জার্নালে এই গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে।

শুধু ছবিই নয় এ বার কথাও বলবে নিজস্বী!

শুধু ছবিই নয় এ বার কথাও বলবে নিজস্বী!


Voxy
এত দিন বিভিন্ন পোজে ছবি তুলে চমকে দিয়েছেন সকলকে। পরিচিত-অপরিচিত সকলেই প্রশংসা করেছেন আপনার নিজস্বীর। এ বার থেকে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল নিজস্বী। এ বার আর নীরব থাকবে না নিজস্বী। কথাও বলবে নিজস্বী। সৌজন্যে ভক্সওয়েব নামে একটি স্মার্ট অ্যাপ। আদর করে নেটিজেনরা যার নাম দিয়েছে ভক্সি।
এই স্মার্ট অ্যাপের সৌজন্যে শুধু ছবিই নয় এগারো সেকেন্ডের একটা ছোট্ট অডিও ক্লিপও ছবির সঙ্গে জুড়ে পাঠানো যায়। কিন্তু কেমন ভাবে বোঝা যাবে কোন ছবির সঙ্গে ক্যাপশন আছে আর কোনটার সঙ্গে অডিও ক্লিপ আছে? ভক্সওয়েব কতৃপক্ষ ব্যবহারকারীদের সুবিধের জন্য একটি কমলা রঙের লম্বা লাইন ব্যবহার করেছেন। যে নিজস্বীর সঙ্গে অডিও ক্লিপ আছে তার সঙ্গে কমলা লাইন যাবে। অডিও ক্লিপ না থাকলে কমলা লাইন দেখাবে না।
কেমন ভাবে মিলবে এই সুবিধা?
এর জন্য ভক্সওয়েব অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে নেটিজেনদের। তাহলেই বন্ধুত্বের তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের খুব সহজেই পাঠানো যাবে আপনার কথা বলা নিজস্বী।
ভক্সি এই অ্যাপটিকে জনপ্রিয় করেছেন অমিতাভ বচ্চন এবং প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। লস এঞ্জেলসে পিপলস অ্যাওয়ার্ড জেতার পর ফ্যানেদের এর মাধ্যমেই ধন্যবাদ জানান প্রিয়ঙ্কা।
প্রযুক্তি ব্যবহারে যিনি এখনকার বলিউড তারকাদের দশ গোল দেন পিছিয়ে নেই সেই অমিতাভ বচ্চনও। ভক্সির সৌজন্যে ফ্যানেদের নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানান বিগ বি।
তাই আর দেরি কেন পিগি চপস বা বিগ বি-র জুতোয় পা গলাতে পারেন আপনিও। নেমে পড়ুন মাঠে।

মার্চের মাঝেই আসছে আইফোন ফাইভ এসই, সম্ভবত আগাম বুকিং বন্ধ

মার্চের মাঝেই আসছে আইফোন ফাইভ এসই, সম্ভবত আগাম বুকিং বন্ধ


phone
মার্চের মধ্যেই অ্যাপেল আনতে চলেছে নতুন প্রোডাক্ট ‘আইফোন ফাইভ এসই’ ও ‘নিউ আইপ্যাড এয়ার’। সূত্রের খবর, ১৮ মার্চ থেকে অনলাইনে ও খুচরো বিক্রেতাদের কাছে মিলবে অ্যাপেলের এই প্রোডাক্ট। তবে এবারে অ্যাপেল কর্তৃপক্ষ প্রোডাক্ট বিক্রির ক্ষেত্রে নয়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগে থেকে বুক করা যাবে না আইফোন।
জানা যাচ্ছে আইফোন ‘ফাইভ এসই’তে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেল রেয়ার ক্যামেরা ও ১.২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা। অটো ফোকাস ভিডিও রেকর্ডিং রয়েছে। সিলভার, গোল্ডেন রঙের মডেলে পাবেন এই আইফোন। অ্যাপেল কর্তৃপক্ষ মনে করছে, ফাইভ এসই বিক্রির গতি বাড়াতে বাড়ে। এমনিতেই সামগ্রিকভাবে আইফোন বিক্রি কমায় ভাঁজ পড়েছে  অ্যাপেল সিইও টিম কুকের কপালে। চলতি বছরে এই দুটি নতুন প্রোডাক্ট ‘বিক্রির বৈতরণী’ পার করবে বলে আশা রাখছেন বিশেষজ্ঞরা।

ইচ্ছামতো দুমড়ান মোচরান আপনার স্মার্ট ফোন!

ইচ্ছামতো দুমড়ান মোচরান আপনার স্মার্ট ফোন!


phone
মনে আছে তো, ফ্রি কিক নেওয়ার সময় বেকহ্যাম কি অদ্ভুত ভাবে বেঁকে গিয়ে বাঁ পায়ের দুরন্ত গতিতে শট নিতেন? এবার ধরুন আপনার ফোনটাও ‘বেন্ড ইট লাইক বেকহ্যাম’! বা ধরুন, আপনি ফোনে অ্যাংরি বার্ড খেলছেন, স্ক্রিনটা একটু বাঁকিয়ে নিন, সাঁ করে গুলতি থেকে ছুটে গেল রাগি পাখি, ধপধপ করে পড়ে গেল শুয়োরগুলো। আর জোরসে থরথর করে কেঁপে উঠল আপনার ফোনটাই। অবাক হচ্ছেন? এই রকমই একটা স্মার্টফোন কিন্তু তৈরি করে ফেলেছেন কানাডার গবেষকরা।
এই ফোনকে হাতে নিয়ে ইচ্ছা মত বেঁকিয়ে চুরিয়ে নেওয়া যায়। ফোন বাঁকালেই  সেন্সর এমনভাবে কাজ করবে যে ডিসপ্লে স্ক্রিন না ছুঁয়েই গেম খেলা যায়, উল্টানো যায় পাতা। কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের তৈরি এই নয়া প্রযুক্তি শরীরের স্পর্শের সঙ্গে হাই ডেফিনেশন ফেলক্সিবল স্মার্ট ফোনের নতুন সম্পর্ক তৈরি করেছে। এই ফোনকে বাঁ দিকে বাঁকালে বইয়ের পাতা উল্টানোর মত ফোনের মধ্যেও ডিসপ্লে স্ক্রিন ডান দিক থেকে বাঁ দিকে চলে যায়। ভাইব্রেশনের মাধ্যমে ইউসাররা ডিসপ্লে স্ক্রিনের বদলে যাওয়া অনুভব করতে পারবেন। 

বিদেশি ভাষায় সখ্য, চাকরির বাজারে দক্ষ

বিদেশি ভাষায় সখ্য, চাকরির বাজারে দক্ষ


1
‘কলোনিয়াল হ্যাংওভার’ থেকে বেরোতে পারিনি বলেই হয়তো, ইংরেজি ভাষার প্রতি আমাদের মোহটা একটু বেশি। আদপে কিন্তু এই বিশ্বে সবচেয়ে বেশি লোক যে ভাষায় কথা বলেন, সেটা চিনা ভাষা। ২০.৭%। তারপরে আসে ইংরেজি, ৬.২%। অর্থাৎ ৯৩.৮% শতাংশ লোক ইংরেজি ছাড়া অন্য ভাষায় কথা বলেন। এই ছোট্ট পরিসংখ্যানটাই বুঝিয়ে দেয়, ইংরেজি ছাড়া অন্য বিদেশি ভাষা শেখার গুরুত্বটা। গ্লোবাল ভিলেজের দুনিয়ায় ভারতীয় সংস্থাগুলি যেমন বিদেশে তাদের শাখা খুলছে, তেমনই বহু বিদেশি সংস্থা এদেশের বাজারকে ধরতে চাইছে। এই প্রেক্ষিতে ইংরেজি ছাড়াও এক বা একাধিক বিদেশি ভাষা শেখা থাকলে চাকরির বাজারে কদর বাড়ে। কর্পোরেট দুনিয়ায় নানা ধরনের কাজের দরজা খোলে।
কেন পড়ব?
সবার আগে কর্মসংস্থানের কথাটা বিশদে বলে নেওয়া ভাল। ইংরেজি ছাড়াও এক বা একাধিক বিদেশি ভাষা জানা থাকলে বহুজাতিক সংস্থা বা সরকারি প্রতিষ্ঠানে অনুবাদক, ইন্টারপ্রেটারের কাজ পাওয়া যায়। তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বা বিপিও সেক্টরে প্রচুর কাজ। ফ্রিল্যান্সে লেখালেখি, অনুবাদের কাজ করা যায়। ডিপ্লোম্যাটিক সার্ভিস, বিদেশমন্ত্রক, গুপ্তচর সংস্থায় কাজ মেলে। ইউনাইটেড নেশনস বা এই ধরনের আরও কিছু প্রতিষ্ঠান, বিদেশি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থায় প্রচুর কাজের সুযোগ আছে। বিদেশি ভাষা শেখানো অর্থাৎ শিক্ষকতা করা যায়। ট্যুরিস্ট গাইড হিসাবে কাজ করা যায়। এছাড়াও জনসংযোগ (পিআর) বা হোটেল শিল্পের লোকজনের বা বিমানসেবিকা, স্টুয়ার্টরা বিদেশি ভাষা জানলে কর্মক্ষেত্রের দিগন্ত বাড়ে।
পাশাপাশি নতুন কোনও ভাষা শেখা মানে শুধু তার ব্যাকরণ বা গঠন জানা নয়, বিশ্বের যে প্রান্তে ওই ভাষার চল, সেখানের সংস্কৃতি, ইতিহাসটাও জানা হয়ে যায়। দেখা গিয়েছে, ছোটবেলায় বিদেশি ভাষা শিখলে মাতৃভাষাতেও দক্ষতা বাড়ে। এছাড়া বিদেশে পড়তে বা বেড়াতে গেলে সুবিধা তো হয়ই।
কোনটা ভাল?
বিদেশি কোন ভাষাটা শিখবেন, তা নিয়ে একটা টালবাহানা চলে। বাছাইয়ের তিনটে দিক আছে—ব্যাক্তিগত আগ্রহ, সহজবোধ্যতা আর কর্মসংস্থানে চাহিদা।
ব্যাক্তিগত ভাবে আপনার কোনও দেশের ভাষা, সংস্কৃতি জানার আগ্রহ থাকতে পারে। সম্ভবত এই ব্যাক্তিগত ভাল লাগার কারণেই আমাদের দেশে ফ্রেঞ্চ শেখেন সবচেয়ে বেশি মানুষ।
কিন্তু কোন ভাষাটা সহজ জানতে চাইলে, প্রথমেই থাকবে স্প্যানিশ। যেহেতু আমরা সকলেই কমবেশি ইংরেজি জানি, সেহেতু স্প্যানিশ শেখা আমাদের কাছে বেশি সহজ। দু’টো ভাষার ব্যাকরণ, গঠন এমনকী বেশ কিছু অক্ষরও এক। এরপরেই ফ্রেঞ্চ। উচ্চারণ একটু কঠিন হলেও ব্যাকরণ গত ভাবে ইংরেজির সঙ্গে বেশ মিল রয়েছে। ভারতে বিদেশি ভাষাশিক্ষার হারে এর পরই যেটা রয়েছে, সেটা হল জার্মান। যদিও উপরের দু’টি ভাষার তুলনায় যথেষ্ট জটিল জার্মান। বিশ্বে ১.৮ শতাংশ লোক জার্মান ভাষায় কথা বলেন। জার্মানরা যেহেতু প্রবল দেশাত্মবোধে নিজেদের ভাষা ছাড়া অন্য কোনও ভাষায় কথা বলেন না (ইংরেজিও না), সেহেতু ওই দেশে গবেষণা বা চাকরি সূত্রে গেলে, আপনাকে জার্মান ভাষা শিখতেই হবে।
কর্মসংস্থানে সুযোগের নিরিখে আবার অনেক এগিয়ে চিনা, কোরিয়ান ও জাপানি। চিন-কোরিয়ায় এখন বেশির ভাগ উৎপাদনমূলক সংস্থা। তাই কর্পোরেট চাকরিতে ইউরোপীয় ভাষার তুলনায় এই দু’টো ভাষার চাহিদা বাড়ছে। কদর বেশি হলে কী হবে চিনা ভাষা শেখা কিন্তু বেশ কঠিন। ব্যাকরণ, লেখনী সবই একেবারে আলাদা। চাহিদার নিরিখে উপরের দিকে থাকা জাপানি ভাষা দেখলে মনে হয় চিনার সঙ্গে মিল রয়েছে। আসলে কিন্তু তা নয়। ভাষা হিসাবে আরও কঠিন জাপানি।
তবে, শেখার সময় কোনটা সহজ তা দেখে ফাঁকির চক্করে না পড়াই ভাল। বরং বিশ্ববাজারে কোনটার বেশি চাহিদা সেটা দেখা দরকার। যেমন, সোভিয়েত ইউনিয়নের যখন দাপট ছিল, আমাদের দেশের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক ছিল, তখন রাশিয়ান ভাষা শেখার ভাল বাজার ছিল। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে পড়ার পরে রাশিয়ান ভাষার সেই বাজার নেই। একই ভাবে পার্শিয়ান ভাষা শিখে খুব একটা লাভ হয় না এখন।
কোথায় পড়ব?
দ্বাদশ শ্রেণি পাশের পরে বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিন্ দেশের ভাষার উপরে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশোনা করা যায়। আবার অন্য কোনও কিছু নিয়ে পড়াশোনার ফাঁকে সার্টিফিকেট, ডিপ্লোমা কোর্স করে নিতে পারেন বিদেশি ভাষার। বিদেশি ভাষার চর্চা নিয়েই থাকতে চাইলে স্নাতকোত্তর স্তরের পরে গবেষণাও করা যায়। এই রাজ্যে বিশ্বভারতীতে বিভিন্ন ভাষা শিক্ষার ভাল সুযোগ রয়েছে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়েও অনেকগুলি বিদেশি ভাষার কোর্স করা যায়। যাদবপুরেও তাই। কলকাতার গোলপার্ক রামকৃষ্ণ মিশনে খুবই কম খরচে বিভিন্ন ভাষা শেখার সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও ম্যাক্সমুলার ভবনে জার্মানি, অলিয়্যাঁস ফ্রঁসে-তে ফ্রেঞ্চ শোখানো হয়। ছোট-বড় প্রতিষ্ঠান ছাড়াও ব্যাক্তিগত ভাবে অনেকে বিদেশি ভাষা পড়ান। বাড়িতে এসেও শিখিয়ে যান।
খরচ কত?
এটা নির্ভর করে কী ভাষা শিখছেন, তার উপরে। যেমন জাতীয় স্তরের বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে আরবিক ও পার্শিয়ান শেখানো হয় নামমাত্র মূল্যে। সেই তুলনায় কোরিয়ান, জাপানি ভাষা শিক্ষার খরচ বেশি। কোথায় শিখছেন, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় বা জেএনইউতে (জওহরলাল নেহরু ইউনিভার্সিটি) খরচ কম। জেএনইউতে অন্য দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে স্টুডেন্ট এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম থাকায় শেখাটা খুবই ভাল হয়। তাছাড়া স্কলারশিপের সুযোগ রয়েছে। সাউথ কোরিয়া ও জাপান সরকারও স্কলারশিপ দেয়। এগুলোর খোঁজ রাখতে হয়। ম্যাক্সমুলার ভবনে খরচ বেশি নয়। শ্রেষ্ঠ দুই কৃতী পড়ুয়াকে স্কলারশিপ দেওয়ার পাশাপাশি জার্মানিতে নিয়ে যায় ওরা।
সব শেষে
বিদেশি ভাষা শিক্ষায় ভর্তি হন অনেকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দখল আনতে পারেন খুব কমই। বিদেশি ভাষা শিখতে গেলে যেমন এর প্রতি প্যাশন থাকা দরকার, তেমনই প্রচুর ধৈর্য ধরতে হয়। রেডিমেড বাক্য মুখস্থ করে এটা হয় না। সবচেয়ে ভাল হয়, যে ভাষা শিখছো, সেই জনজাতির লোকজনের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারলে। সোশ্যাল মিডিয়ার এই যুগে সেটুকু করে নেওয়াই যায়।

আসছে সবচেয়ে সস্তা, ৫০০ টাকার কম দামি স্মার্টফোন

আসছে সবচেয়ে সস্তা, ৫০০ টাকার কম দামি স্মার্টফোন



mobile
৫০০ টাকার কমে স্মার্টফোন! গল্প মনে হলেও সত্যি! বুধবারই দেশীয় বাজারে আসছে এই মোবাইল। সৌজন্যে, ডোমেস্টিক হ্যান্ডসেট মেকার ‘রিঙ্গিং বেল’। সংস্থা জানিয়েছে, এই স্মার্টফোনের নাম রাখা হয়েছে ‘ফ্রিডম ২৫১’। কারণটা সহজেই অনুমেয়। আগের থেকে সস্তা হলেও অনেকের হাতেই পৌঁছয়নি স্মার্টফোন। কারণ, এখনও আয়ত্তের মধ্যে আসেনি স্মার্টফোনের দাম। ক্রেতাদের সেই চড়া দামের থেকেই মুক্তি দিতে চলেছেন ‘রিঙ্গিং বেল’।


নয়ডায় এই কোম্পানির তরফে জানানো হয়েছে, আগামিকাল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মনোহর পর্রীকর উদ্বোধন করবেন ‘ফ্রিডম ২৫১’। গত বছরেই দেশের সবচেয়ে সস্তা স্মার্টফোন বাজারে আনার কথা ঘোষণা করেছিল ডেটাওয়াইন্ড নামে এক সংস্থা। অনিল অম্বানীর রিলায়্যান্স কমিউনিকেশনস (আর-কম) সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে মাত্র ৯৯৯ টাকায় এ মোবাইল বাজারে ছাড়ার কথা ছিল। কিন্তু, এখনও দিনের আলো দেখেনি সে ফোন।
গত বছরেই ‘রিঙ্গিং বেল’-এর জন্ম। আর বছর ঘুরতে না ঘুরতেই বড়সড় চমক দিয়ে শুরু করল তারা। সংস্থা জানিয়েছে, প্রথম ফেজে যন্ত্রাংশ অ্যাসেম্বল করেই এই মোবাইলের বাজারে ছাড়ছে তারা। ধীরে ধীরে এ দেশে নিজেদের কারখানাতেই দেশীয় প্রযুক্তিতে স্মার্টফোন বানাবে তারা। দিন কয়েক আগেই অবশ্য দেশের সবচেয়ে সস্তা ফোর-জি মোবাইল বাজারে ছেড়েছে ‘রিঙ্গিং বেল’। দাম ছিল মাত্র ২৯৯৯ টাকা। এ বার ৫০০ টাকার কমে স্মার্টফোন দিয়ে দেশীয় বাজারে টাগ অব ওয়ার শুরু করল ‘রিঙ্গিং বেল’।

আজ বাজারে মাত্র ২৫১ টাকায় থ্রি-জি স্মার্টফোন

আজ বাজারে মাত্র ২৫১ টাকায় থ্রি-জি স্মার্টফোন


phone
 ভারতীয় কোম্পানি রিংগিং বেলস প্রাইভেট লিমিটেড এনে ফেলল মাত্র ২৫১ টাকায় স্মার্টফোন। কি, দাম শুনে মাথা ঘুরছে? ঘোরাটাই স্বাভাবিক। এক কেজি খাসির মাংসের থেকেও দাম কম! তাই জেনে নিন ২৫১ টাকার ফোন সম্বন্ধে কিছু তথ্য।
১) রংগিং কোম্পানি এই মোবাইলটির নাম দিয়েছে ‘ফ্রিডম ২৫১’। মনে করা হচ্ছে, পৃথিবীর সবথেকে কম দামী ফোন হতে চলেছে ‘ফ্রিডম ২৫১’।
২) সূত্রের খবর, ফোনটিতে রয়েছে, ৪ ইঞ্চি ডিসপ্লে, ১.৩ গিগা হার্টজ কোয়াড-কোর প্রসেসর, ১ জিবি র্যাম, ৮ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ, ৩.২ রেয়ার ক্যামেরা, ০.৩ ফ্রন্ট ক্যামেরা এবং ১৪৫০ এমএএইচ ব্যাটারি।
৩) বুধবার দিল্লির এই কোম্পানি লঞ্চ করেছে ফ্রিডম ২৫১। মোবাইল উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনোহর পর্রীকর, ডঃ মুরলি মনোহর জোশী।
৪) সূত্রের খবর, অনেকটাই ‘সরকারি সাহয্যে’ তৈরি করা হয়েছে এই ফ্রিডম ২৫১।
অনেকেই মনে করছেন, মোদীর মেক ইন ইন্ডিয়া স্লোগানের সাফল্য প্রচারে বড় হাতিযার হবে এই আড়াইশো টাকার স্মার্টফোন। তবে অন্য আশঙ্কাও আছে। বিগত সরকারের সস্তার ‘আকাশ টেবলেট’ প্রচারে যত গর্জেছিল, সাফল্যে ততটা বর্ষায়নি। এ ক্ষেত্রেও তেমনটা হবে না তো!

২৫১ টাকার ফোন বুক করতে গিয়ে চরম সমস্যায় গ্রাহকরা

২৫১ টাকার ফোন বুক করতে গিয়ে চরম সমস্যায় গ্রাহকরা


251
ফ্রিডম ২৫১ এই মুহূর্তে বিশ্বের সব থেকে সস্তা স্মার্টফোন এ নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। যেন চৈত্র সেল। তাই বৃহস্পতিবার সকাল ছ’টা বাজতেই সোয়াশো কোটির দেশ হুড়মুড়িয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল ফ্রিডম ২৫১ অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে। কিন্তু সস্তার স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে শুধু দস্তানা নিয়ে ঘরে ফিরতে হল না তো গ্রাহকদের? সোশ্যাল মিডিয়া কিন্তু তেমনই প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। বেশির ভাগই চরম সমস্যায় পড়েছেন ফোন বুক করতে গিয়ে। কেউ বলছেন, ওয়েবসাইটে বুক করতে সমস্যা হচ্ছে। তবে ঠিকঠাক ভাবে ফোন বুক করতে পেরেছেন, এমন গ্রাহকও রয়েছেন যথেষ্ট।
প্রথমত, ফ্রিডম ২৫১ কেনার ক্ষেত্রে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে কোনও নামি বিপণন সংস্থার নাম নেই। মোবাইল প্রস্তুতকারক রিঙ্গিং বেলসের জনসংযোগ দায়িত্ব যে সংস্থার হাতে, তাদের যথাযথ পরিচয় নেই এই ওয়েবসাইটে। তাই সরকারি ছত্রছায়ায় ফ্রিডম ২৫১ মহাসমারোহে উদ্বোধন হলেও মোবাইল বুক করতে গিয়ে এই আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে গ্রাহকদের।
ফ্রিডম ২৫১ লঞ্চ হওয়ার ১২ ঘণ্টা পর সোশ্যাল মিডিয়ায় মোবাইল বুক করা নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, অর্ডার করার পর মোবাইল বা ইমেলে কোনও কনফার্মেশন আসছে না। আবার কেউ অভিযোগ করছেন, ফর্ম ফিল আপ সঠিক ভাবে করা যাচ্ছে না।
তবে এ রকম অনেক গ্রাহকই রয়েছে যাঁরা মোবাইল বুক করতে পেরেছে। টুইটারে জানিয়েছেন সে কথা। 

কী ভাবে কিনবেন ২৫১ টাকার স্মার্টফোন?

কী ভাবে কিনবেন ২৫১ টাকার স্মার্টফোন?


free phone
২৫১ টাকার স্মার্টফোন কেনার জন্য আপনার অর্ডারটা ‘বুক’ করবেন কী ভাবে?
এত সস্তার স্মার্টফোন কেনার জন্য আপনার তেমন কোনও দৌড়-ঝাঁপের প্রয়োজন নেই। ঘাম ঝরানোর দরকার হবে না। ঘরে বসে, বিছানায় শুয়ে শুয়েই, অনায়াসে আপনার অর্ডারটা আপনি ‘বুক’ করে ফেলতে পারবেন।
নয়ডার সংস্থা ‘রিঙ্গিং বেলস্’-এর ওই সস্তার স্মার্টফোন ‘ফ্রিডম২৫১’ কেনার জন্য আপনার অর্ডার ‘বুক’ করতে আপনাকে প্রথমেই চলে যেতে হবে ওদের ওয়েবসাইটে। যার ঠিকানা- www.freedom251.com।
সেই ওয়েবসাইটের হোম পেজ খুললেই দেখবেন, তার ওপরের ডান দিকে চারটি ‘অপশন’ রয়েছে। ‘অ্যাবাউট আস’, ‘মিশন অ্যান্ড ভিশন’, ‘বাই নাও’ আর ‘কনট্যাক্ট আস’।
‘বাই নাও’ বাটনে ক্লিক করলেই আপনার অর্ডার ‘বুকড্’ হয়ে যাবে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত অর্ডার ‘বুক’ করার সময়সীমা ধার্য করা হয়েছিল। ওই ‘বাটন’-এ ক্লিক করে আজ সকালে বহু গ্রাহক তাঁদের অর্ডার সফল ভাবেই ‘বুক’ করতে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন। তবে অর্ডার দেওয়ার হিড়িক পড়ে যাওয়ায় কিছু ক্ষণ পরেই সাইট ক্র্যাশ করে যায়। ফলে, ‘বাই নাও’ অপশনে ক্লিক করে এখন জানা যাচ্ছে, সাইট ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আবার চালু হয়ে যাবে। সংস্থাটি গ্রাহকদের হাতে ৩০ জুনের মধ্যেই ওই সস্তার স্মার্টফোন পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

২৫১ টাকার স্মার্টফোন কেনার হিড়িকে সাইট ক্র্যাশ!

২৫১ টাকার স্মার্টফোন কেনার হিড়িকে সাইট ক্র্যাশ!


freedom smart phone
এ বার নয়ডার সংস্থা ‘রিঙ্গিং বেলস্’-এর ওয়েবসাইট-www.freedom251.com ক্র্যাশ করল।
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে স্মার্টফোন ‘ফ্রিডম ২৫১’ কেনা আর তার জন্য অর্ডার দেওয়ার হিড়িক পড়ে যাওয়ায় ক্র্যাশ করে গেল ‘রিঙ্গিং বেলস্’-এর ওয়েবসাইট-www.freedom251.com।
সংস্থাটি তাদের ওয়েবসাইটে জানিয়েছিল, ওই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ১৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ৬টা থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত বিশেষ ধরনের একটি স্মার্টফোন কেনা বা তার জন্য অর্ডার দেওয়া যাবে। তার পর এতটাই হিড়িক পড়ে যায় যে, আজ সকাল থেকেই ওই ওয়েবসাইটটি পুরোপুরি ক্র্যাশ করে যায়।
ব্যাপক সাড়ার জন্য সংস্থাটির তরফে গ্রাহকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলা হয়, তারা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ওয়েবসাইটটি সারিয়ে ফেলছে। তার মাধ্যমে আবার ওই স্মার্টফোন কেনার জন্য অর্ডার দেওয়া যাবে।
ফ্রিডম ২৫১ এই মুহূর্তে বিশ্বের সব থেকে সস্তা স্মার্টফোন, এ নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। যেন চৈত্র সেল। তাই বৃহস্পতিবার সকাল ছ’টা বাজতেই সোয়াশো কোটির দেশ হুড়মুড়িয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল ফ্রিডম ২৫১ অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে। কিন্তু সস্তার স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে শুধু দস্তানা নিয়ে ঘরে ফিরতে হল না তো গ্রাহকদের? সোশ্যাল মিডিয়া কিন্তু তেমনই প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। বেশির ভাগই চরম সমস্যায় পড়েছেন ফোন বুক করতে গিয়ে। কেউ বলছেন, ওয়েবসাইটে বুক করতে সমস্যা হচ্ছে। তবে ঠিকঠাক ভাবে ফোন বুক করতে পেরেছেন, এমন গ্রাহকও রয়েছেন যথেষ্ট।
প্রথমত, ফ্রিডম ২৫১ কেনার ক্ষেত্রে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে কোনও নামি বিপণন সংস্থার নাম নেই। মোবাইল প্রস্তুতকারক রিঙ্গিং বেলসের জনসংযোগ দায়িত্ব যে সংস্থার হাতে, তাদের যথাযথ পরিচয় নেই এই ওয়েবসাইটে। তাই সরকারি ছত্রছায়ায় ফ্রিডম ২৫১ মহাসমারোহে উদ্বোধন হলেও মোবাইল বুক করতে গিয়ে এই আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে গ্রাহকদের।
ফ্রিডম ২৫১ লঞ্চ হওয়ার ১২ ঘণ্টা পর সোশ্যাল মিডিয়ায় মোবাইল বুক করা নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, অর্ডার করার পর মোবাইল বা ইমেলে কোনও কনফার্মেশন আসছে না। আবার কেউ অভিযোগ করছেন, ফর্ম ফিল আপ সঠিক ভাবে করা যাচ্ছে না।
তবে এ রকম অনেক গ্রাহকই রয়েছে যাঁরা মোবাইল বুক করতে পেরেছে।টুইটারে জানিয়েছেন সে কথা।