Sunday, January 24, 2016

ভুঁড়ি হতে পারে বাবা হওয়ার পথে বাধা, কেন?

ভুঁড়ি হতে পারে বাবা হওয়ার পথে বাধা, কেন?

বাবা হতে চাইছেন? কিন্তু দিন দিন বাড়ছে ভুঁড়ি? সাবধান হন এখনই। অতিরিক্ত মেদ ঝরানোর দিকে মন দিন। না হলে কিন্তু আপনার সন্তানেরও মোটা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল! নয়া এক গবেষণা বলছে, বাবার স্পার্মের লেজ ধরে সন্তানের শরীরে প্রবেশ করে মোটা হওয়ার জিন। ওবেস পুরুষদের শুক্রাণুর জিনে খিদে নিয়ন্ত্রণের জিনটি বেশ দুর্বল হয়।
গবেষকরা ১৩ জন সাধারণ ওজনের ও ১০ জন ওবেস পুরুষদের উপর পরীক্ষা চালিয়েছেন। দেখা গেছে ওবেস বাবাদের সন্তানরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মোটাই হয়েছে। শুধু তাই নয়, বেশির ভাগই ওবেসিটিতে আক্রান্ত। এর পরের পর্যায়ে এমন ছ’জন পুরুষের উপর গবেষণা চালানো হয়েছে যারা প্রত্যেকেই ওয়েট লস সার্জারি করিয়েছেন। দেখা গেছে সার্জারির এক বছর পর তাদের স্পার্মের ডিএনএ-তে প্রায় ৫ হাজার রকম গঠনগত পরিবর্তন হয়েছে।
স্পার্মের জিন সাধারণ ভাবে সন্তানের স্বাস্থ্যের জন্য অনেকাংশেই দায়ী। যদিও এ সম্পর্কে আরও বিশদে গবেষণা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন ‘‘চলতি ধারণা বলে গর্ভবতী মহিলাদের নিজেদের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখতে হয়। মদ, ধুমপান থেকে শত হাত দূরে থাকতে হয়। কিন্তু আমাদের গবেষণা বলছে শুধু হবু মা নয়, সন্তানের স্বাস্থ্যের জন্য সাবধানে চলতে হয় হবু বাবাকেও।’’

নিয়মিত মর্নিং ওয়াক রুখে দিতে পারে অ্যালজাইমার’স রোগ

নিয়মিত মর্নিং ওয়াক রুখে দিতে পারে অ্যালজাইমার’স রোগ

বয়স বাড়ছে বলে চিন্তিত? আজ কাল কিছুই ঠিক ঠাক মনে থাকছে না? যদি জরুরি কাজ ভুলে যান, ঠিক সময় মনে না পড়ে, সেই আশঙ্কায় ভুগছেন? তবে সমস্যা সমাধানে হাঁটুন। গবেষকরা জানাচ্ছেন, হাঁটলে বা জগিং করলে স্মৃতিশক্তি ভাল থাকে।
বস্টন ইউনিভার্সিটির গবেষকরা ১৮ থেকে ৩১ বছর বয়সী ২৯ জন ও ৫৫ থেকে ৮২ বছর বয়সী ৩১ জন মানুষের উপর সমীক্ষা চালিয়েছিলেন। হাঁটা ছাড়াও তাঁদের নিউরোসাইকোলজিক্যাল পরীক্ষা নিয়ে দেখা হয়েছিল স্মৃতিশক্তি, সমস্যা সমাধান ও পরিকল্পনা করার ক্ষমতা। গবেষকরা দেখেছেন যে সব বয়স্ক মানুষরা বেশি হেঁটেছিলেন, তাঁদের স্মৃতিশক্তি বেশি উন্নত হয়েছে। তবে অল্পবয়সীদের ক্ষেত্রে এ রকম কোনও অনুপাতিক সম্পর্ক দেখা যায়নি।
ইন্টারন্যাশনাল নিউরোসাইকোলজিক্যাল সোসাইটির জার্নালে এই সমীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে।

হোয়াটসঅ্যাপ এক্সপার্ট হতে গেলে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখতেই হবে

হোয়াটসঅ্যাপ এক্সপার্ট হতে গেলে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখতেই হবে

আপনি কি হোয়াটসঅ্যাপে আছেন? উত্তরটা যদি না হয় তবে আপনি একেবারেই ব্যাকডেটেড। স্মার্টফোন থাকা যেমন জরুরি তেমনই ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ থাকাটাও এখন স্মার্ট। এ দিকে এই জেনে নিন হোয়াটসঅ্যাপই মাঝে মাঝে বিরক্তির কারণ হয়ে ওঠে। জেনে নিন বিরক্ত না হয়েও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের কিছু খুঁটিনাটি।

১।গ্রুপ চ্যাট ও নোটিফিকেশন মিউট করুন
সারাক্ষণ গ্রুপে নোটিফিকেশন আসতে থাকলে ক্রমাগত আওয়াজে বিরক্ত হন অনেকেই। এ দিকে গ্রুপ ছেড়ে বেরনো যায় না। তাই যতক্ষণ খুশি নোটিফিকেশন মিউট করে রাখুন।
কী ভাবে করবেন-
অ্যান্ড্রয়েডে- মেনু থেকে মিউট অপশনে হিট করুন।
আইফোনে- গ্রুপ ইনফো স্ক্রিন থেকে মিউট অপশন হিট করুন।
২। সেলুলার ব্যান্ডইথ বাঁচাতে মিডিয়া ডিসেবল করুন
হোয়াটসঅ্যাপে আপনি কী ডাইনলোড করতে চান কী করতে চান না সেটা বেছে নিন।
অ্যান্ড্রয়েডে ও আইফোন- সেটিংস থেকে চ্যাট সেটিংসে যান, এ বার মিডিয়া অটো ডাউনলোড থেকে বেছে নিন ইমেজ, অডিও বা ভিডিও।
৩। গ্রুপে কে পড়েছে মেসেজ
অ্যান্ড্রয়েডে-আপনার পাঠানো মেসেজ কিছুক্ষণ আঙুল দিয়ে চেপে রাখুন। সার্কেলের মধ্যে আই (l) সাইন আসবে। এই আই হিট করলেই দেখতে পাবেন কে আপনার মেসেজ পড়েছেন, কে পড়েননি।
আইফোনে- চ্যাটে মেসেজ ইনফো স্ক্রিন খুলুন। এরপর মেসেজ বাঁ দিক থেকে ডান দিকে সোয়াইপ করলে দেখতে পাবেন কে পড়েছেন।
৪। লাস্ট সিন ও রেড রেসিপিয়েন্ট ডিসেবল করে রাখুন
অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোন- সেটিংস থেকে অ্যাকাউন্টে যান। সেখান থেকে প্রাইভেসি অপশনে হিট করে ‘এভরিওয়ান’, ‘মাই কনট্যাক্টস’ বা ‘নোবডি’ বেছে নিন।
৫। ডেস্কটপ থেকে প্রোফাইল ফোটো, স্টেটাস মেসেজ বদল
এই ফিচার হোয়াটসঅ্যাপ ওয়েবে নতুন যোগ হয়েছে। এর সাহায্যে ল্যাপটপ ক্যামেরা, ওয়েবক্যাম বা ড্রাইভে থাকা কোনও ছবি প্রোফাইলে আপলোড করতে পারবেন। আপনি কোনও গ্রুপের অ্যাডমিন হলে সেই গ্রুপেও এ ভাবে ছবি বদলাতে পারবেন।
৬। নতুন নম্বর
যদি আপনি সিম কার্ড বদল করেন তবে অ্যকাউন্ট ইনফরমেশন, গ্রুপ ও সেটিং ইমপোর্ট করার কিছু উপায় রয়েছে। এটা মাথায় রাখুন যে আপনার পুরনো নম্বর ডিলিট হয়ে যাবে। নতুন সিমকার্ডেই আসবে যাবতীয় কল ও মেসেজ।
অ্যান্ড্রয়েডে- মেন>সেটিংস>অ্যাকাউন্ট>চেঞ্জ নম্বর। এ বার প্রথমে পুরনো নম্বর টাইপ করুন, তারপর নতুন নম্বর।
আইফোন- সেটিংস>অ্যাকাউন্ট>চেঞ্জ নম্বর। অ্যান্ড্রয়েডের মতোই প্রথমে পুরনো নম্বর ও পরে নতুন নম্বর টাইপ করুন।
৭। হটস্পট
অ্যাটাচমেন্ট পেনে হিট করে বেছে নিন সেন্ড লোকেশন আইকন। আপনার আশেপাশের এলাকার রেস্তোরাঁ, হ্যাঙ্গআউটের সন্ধান পাবেন।

ঘরোয়া খাবারের জোরে শীতের হাওয়াতেও সুন্দর চুল

ঘরোয়া খাবারের জোরে শীতের হাওয়াতেও সুন্দর চুল

শীতের দিনে চুল রুক্ষ হতে শুরু করেছে। ঘন কালো সুন্দর চুল পেতে পারেন এই শীতেও। কোনও কেমিক্যালের ব্যবহারে নয়, জোর দিন দৈনন্দিন খাবারে। চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখবে এমন চারটি খাবারের নাম জেনে নিন।

পালং শাক
পালং শাকে রয়েছে প্রচুর আয়রন। যা চুলকে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে৷ পালং শাক খেলে চুলে অক্সিজেন পৌঁছয় তাড়াতাড়ি৷ ফলে রোজকার খাবারে পালং শাক অবশ্যই রাখুন।

ডিম
ভিটামিনে ভরপুর ডিম চুলের স্বাস্থের জন্য খুবই ভাল৷ খাওয়ার পাশাপাশি মাথাতে লাগাতেও পারেন ডিম। এতে চুলের গোড়া মজবুত হবে এবং চুল পড়াও বন্ধ হবে৷

ক্যাপসিকাম
ক্যাপসিকামে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে৷ যা চুলের ভালো স্বাস্থ্যের অন্যতম উপাদান। ভিটামিন সি-এর ঘাটতির হলে চুল রুক্ষ হয়ে যায় ও চুল তাড়াতাড়ি পড়ে যায়৷ তাই প্রতি দিনের খাদ্যতালিকায় ক্যাপসিকাম রাখুন।

ডাল
যে কোনও ধরনের ডাল আয়রন ও প্রেটিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস৷ চুল ভাল রাখতে প্রতি দিন মেনুতে মুগ-মুসুর-ছোলা— নানা ধরনের ডাল রাখুন।

ওজন কমাতে ভরা পেটে এগুলো এড়িয়ে চলুন

ওজন কমাতে ভরা পেটে এগুলো এড়িয়ে চলুন

ওজন কমাতে গিয়ে ডায়েট থেকে মিষ্টি, ফ্যাট বাদ দিয়েই থাকি আমরা। খাবারের পরিমাণও কমিয়ে আনতে জানি। তবে জানেন কি রোগা হতে গেলে খাবারের সময়টাও খুব জরুরি?  অর্থাত্ কোন খাবার কখন খাবেন, কখন খাবেন না তার উপর নির্ভর করে আপনার ওজন। আবার কিছু কিছু বদঅভ্যাসের জন্যও ওজন বাড়ে। জেনে নিন রোগা থাকতে খাওয়ার আগে ও পরে কী কী করবেন না।
ফল
ভরা পেটে ফল খেলে হজম ভাল হবে এই মিথ বহু দিন ধরেই চালু। এটা কিন্তু একেবারেই ভুল। ভরা পেটে ফল কখনই খাবেন না। হয় খাওয়ার এক ঘণ্টা আগে ফল খান, অথবা অন্তত দু’ঘণ্টা পর।
চা
অনেকেরই খাওয়ার পর চা খাওয়ার অভ্যাস থাকে। পেট ভরে খাওয়ার ঠিক পরই চা একদম নয়। চা পাতা অ্যাসিডিক হওয়ার কারণে হজমে গন্ডগোল হতে পারে। শরীরে আয়রন শোষণেও বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ফলে ঠিক মতো পুষ্টিও হয় না শরীরে। খাওয়ার এক ঘণ্টা আগে ও অন্তত এক ঘণ্টা পর চা খান।
ধূমপান
সিগারেটের নেশা থাকলে খাওয়ার পর সুখটান দিতে চায় মন। জেনে রাখুন ভরা পেটে একটা সিগারেট শরীরে ১০টা সিগারেটের সমান ক্ষতি করে। তাই শরীরের ক্ষতি এড়াতে খাওয়ার পর ধূমপান এড়িয়ে চলুন।
স্নান
ভরা পেটে স্নান করলে হজম ধীরে হয়। স্নানের সময় পাকস্থলীর রক্ত সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে হজম প্রক্রিয়ায় বাধা পায়।
ঘুম
ভরা পেটে ঘুমোলে ঘুম থেকে ওঠার পরও পেট ভরা ভরা লাগে। তার কারণ খাবার হজম হয় না। খাওয়ার পর ঘুমিয়ে পড়লে হজম প্রক্রিয়াও ঘুমিয়ে পড়ে।

হার্ট সুস্থ রাখতে দু’বেলা দাঁত মাজুন

হার্ট সুস্থ রাখতে দু’বেলা দাঁত মাজুন

ঝকঝকে দাঁতের জন্য আপনি কি রোজ দু’বেলা নিয়ম করে দাঁত মাজেন? জানেন কি এই অভ্যাস শুধু দাঁত বা মাড়ি নয় সুস্থ রাখে আপনার হৃদয়ও!
মাড়িতে ব্যকটেরিয়া সংক্রমণ জন্ম দেয় বিভিন্ন হার্টের অসুখের। এই ব্যাকটেরিয়া রক্ত বাহিকার মধ্যে ঢুকে রক্ত জমাট বাঁধিয়ে দেয়। আটকে দেয় হার্টের ভালভের মুখ।  বেড়ে যায় রক্তচাপ। বাড়িয়ে তোলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও। অনেক সময় দাঁত বা মাড়ির শৈবালের সংক্রমণও ছড়িয়ে পরে রক্তে।  
নিয়মিত দু’বেলা দাঁত না মাজলে মুখে ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। যার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে হার্টের সমস্যাও।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, যাদের ক্রনিক মাড়ির সমস্যা আছে তারা সাধারণত হার্টের সমস্যাতেও ভোগেন।
অতিরিক্ত তামাক সেবন, ডায়াবেটিস এবং অপুষ্টি দাঁত ও মাড়ির সমস্যা বাড়ায়। প্রতি ক্ষেত্রে ভুক্ত ভোগীদের হার্টের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল।
গুরগাঁও-এর পারাস হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান তপন ঘোষ জানাচ্ছেন ‘‘দাঁত বা মাড়ির দুরাবস্থা হার্ট ভালভে ইনফেকশনের জন্ম দেয়। যদি আগে থেকেই হার্টে কোনও সমস্যা থাকে তাহলে আরও বেশি বেড়ে যায় ক্ষতির সম্ভাবনা।’
অতএব, সতর্ক হন, হার্ট থাকতে তার মর্যদা রাখতে নিজের স্বার্থেই দাঁতের যত্ন নিন।

পরে নিন এই ঘড়ি, আপনার চেয়ে স্মার্ট আর কে আছে?

পরে নিন এই ঘড়ি, আপনার চেয়ে স্মার্ট আর কে আছে?

ধরুন, মর্নিং ওয়াকে বেরিয়েছেন। যে গতিতে হাঁটছেন, তা একটু কমাবেন না বাড়াবেন, ঠিক বুঝতে পারছেন না। হাতের ঘড়িটার দিকে তাকান। ঘড়ি বলে দেবে আপনি ঠিক গতিতে হাঁটছেন কি না। আপনার শারীরিক অবস্থা যেমন, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ঠিক কী রকম গতিতে আপনার হাঁটা উচিত, বলে দেবে স্মার্ট ওয়াচ। হাঁটার বেগ যদি প্রয়োজনের তুলনায় বেড়ে যায়,  কবজিতে বাঁধা গোলাকার ডিজিটাল স্ক্রিনে ফুটে উঠবে সতর্কবার্তা— ‘আপনার হাঁটার গতি বেড়ে গিয়েছে। গতি কমান।’
অথবা, বড় শহরের রাস্তায় ঠিকানা খুঁজে পাচ্ছেন না। একে ওকে জিজ্ঞাসা করেও সন্ধান মিলছে না। ঘাবড়ে যাবেন না। আবার ঘড়ির দিকে তাকান। অল্প একটু ঘুরিয়ে দিন ঘড়ির বেজেল। ডিজিটাল স্ক্রিনে ফুটে উঠবে জিপিএস অ্যাপ। পথ দেখিয়ে পৌঁছে দেবে নির্দিষ্ট গন্তব্যে। কাউকে পথনির্দেশ জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজনই নেই।
বিশ্বাস হচ্ছে না? তা হলে একটা শো-রুমে গিয়ে দেখে আসুন ‘গিয়ার এস২’। স্যামসাং-এর আনকোরা লঞ্চ এই স্মার্ট ওয়াচ। ঘড়ি হিসেবে তো কাজ করবেই। সঙ্গে রয়েছে এক গুচ্ছ নতুন অ্যাপ্লিকেশন।
বেন টেন-কে চেনেন নিশ্চয়ই। হাতঘড়ির মতো দেখতে একটা গিয়ার বাঁধা থাকে তার কবজিতে। সেই গিয়ার-ই বেন টেন-এর বিভিন্ন অলৌকিক শক্তির উৎস। অ্যানিমেশন দুনিয়ার সেই গিয়ার-এর ধারণাকেই কিছুটা বাস্তব করে তুলেছে দক্ষিণ কোরীয় ইলেকট্রনিক জায়ান্ট স্যামসাং। গিয়ার এস২-তে রয়েছে স্মার্ট ফোনের অধিকাংশ অ্যাপ্লিকেশনই। রয়েছে আরও এমন কিছু অ্যাপস, যা প্রথম বার দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।
স্মার্ট ফোন বাজারে আনার পর এটাই সবচেয়ে বড় ‘সারপ্রাইজ’ স্যামসাং-এর তরফে। সংস্থার কর্তারা সে রকমই বলছেন। ঠিক যেমন ঝাঁ-চকচকে লুক্‌স নিয়ে মোবাইল ফোনের বাজার কাঁপিয়ে দিয়েছিল স্যামসাং-এর স্মার্ট ফোন, স্মার্ট ওয়াচেও সেই ভাবেই চোখ আটকে যেতে পারে। ৩০০ গান স্টোর করা যাবে স্মার্ট ওয়াচে। এই ঘড়ি আবার স্মার্ট ফোনের সঙ্গে জুটি বেঁধেও চলতে পারে। মোবাইলের প্লে লিস্টে আপনার মোস্ট প্লেড গান যেগুলি, সেগুলি ঠিক চিনে নেবে স্মার্ট ওয়াচ। ফলে মর্নিং ওয়াকের সময় মোবাইলটা বাড়িতে ফেলে গেলেও সমস্যা নেই। ‘গিয়ার ভিআর’ হেডসেট কানে লাগিয়ে নিলে হাত ঘড়ি থেকে চলতে শুরু করবে মোবাইল প্লে-লিস্টে থাকা আপনার প্রিয় গানগুলো।

জীবাণুর সংক্রমণ এড়াতে অতিথিবৎসল হোন

জীবাণুর সংক্রমণ এড়াতে অতিথিবৎসল হোন

আপনি কি খুব অতিথিবৎসল? মাঝে মাঝেই বাড়িতে বন্ধু বান্ধবদের ডেকে জমিয়ে আড্ডা মারেন? তা হলে নিশ্চিন্ত থাকুন। ভাইরাস বা ব্যাক্টেরিয়া ঘটিত ছোটখাটো অসুখ আপনার কিস্যু করতে পারবে না।
এমনটাই জানাচ্ছেন শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। তাঁদের মতে, নিমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গেই চলে আসে অনাহূত অতিথিরা—জীবাণু অর্থাৎ কোটি কোটি ব্যাক্টেরিয়া এবং ভাইরাস। কিন্তু তাতে ঘাবড়ে যাওয়ার কিছু নেই। ক্ষতির চেয়ে বেশি উপকারই হয় এতে। এইসব অনাহূত, অবাঞ্ছিত অতিথিরা প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সাহায্য করে বলেই তাঁদের দাবি।
গবেষকদের মতে, বাড়িতে ঢোকার পর থেকেই প্রত্যেক অতিথির শরীর থেকে প্রতি ঘণ্টায় কমপক্ষে চার কোটি ব্যাক্টেরিয়া বাতাসে মিশতে থাকে। শুধু তাই নয়, যদি তাঁরা নিঃশ্বাস বন্ধ করেও থাকেন, তা হলেও শুধুমাত্র ত্বক থেকেই প্রতি ঘণ্টায় এক কোটিরও বেশি জীবাণু ঝরে পড়ে। কিন্তু এরা সকলেই ক্ষতিকারক নয়। বরং বেশিরভাগই ভালমানুষ গোছের। শরীরে প্রবেশ করে অর্জিত প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে তোলে।
শুনতে আশ্চর্য লাগলেও এমনটা যে হতেই পারে তা জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরাও। মাইক্রোবায়োলজিস্ট ভাস্কর নারায়ণ চৌধুরী বলছেন, মানুষের শরীরে কোষের চেয়ে ব্যাক্টেরিয়ার পরিমাণ বেশি। এবং পরিবেশে যে সব জীবাণু রয়েছে তারা সবাই ক্ষতিকারক নয়। বরং এদের মধ্যে শতকরা ৮০ থেকে ৯০ ভাগই উপকারী। তাঁর কথায়, ‘‘এরা অনেকটা ভ্যাকসিনের মতো কাজ করে।’’
কী রকম?
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পরিবেশের মধ্যে থেকে বিভিন্ন জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করতে করতে মানুষ এক ধরনের প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করে। একে বলে অর্জিত প্রতিরোধ ক্ষমতা বা অ্যাকোয়ার্ড ইমিউনিটি। ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে কোনও একটি জীবাণু মানুষের শরীরে প্রবেশ করিয়ে শরীরকে ওই জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করা হয়। ভাস্করবাবু বলছেন, শরীরের নিজস্ব সুরক্ষাবলয় আছে। জীবাণু ঢুকলেই যে রোগ হবে তার কোনও মানে নেই। রোগব্যাধি হওয়ার জন্য একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় জীবাণু সংক্রমণ হতে হয়। ডাক্তারি পরিভাষায় যাকে বলে ‘ইনফেকটিভ ডোজ’। কোনও বিশেষ রোগের জীবাণু যদি এই নির্দিষ্ট পরিমাণের চেয়ে কম পরিমাণে শরীরে ঢোকে তখন তাকে বাধা দিতে দিতে শরীর তার বিরুদ্ধে একটি নিজস্ব প্রতিরোধ তৈরি করে ফেলে। তাই পরে সেই রোগটি হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। উদাহরণ হিসেবে ভাস্করবাবু বলছেন, যেমন একবার চিকেন পক্স হলে পরে আর কখনও হয় না। কিংবা পোলিও ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে শিশুদের বর্জ্যের মাধ্যমে জীবাণু জলবাহিত হয়ে অন্য শিশুর শরীরে প্রবেশ করে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। তাঁর কথায়, ‘‘স্কুলে পড়াকালীন বাচ্চাদের ঘন ঘন জ্বর হওয়া ভাল। এর থেকে বোঝা যায়, শরীর নতুন নতুন জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করছে।’’
একই মত মাইক্রোবায়োলজিস্ট ইন্দ্রনীল রায়ের। পাশাপাশি তিনি জানালেন, বিভিন্ন গবেষণা বলছে, অতিরিক্ত পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাও অনেক সময় রোগের কারণ হয়ে উঠতে পারে। এর সঙ্গেও জড়িয়ে সেই সব জীবাণুরা। জন্মের পর প্রকৃতির মধ্যে থেকেই মানুষ তার প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করে। কিন্তু ইদানীং মানুষ চায় ধুলো বালি থেকে যতটা সম্ভব গা বাঁচিয়ে চলতে। শিশুদেরও অতিরিক্ত যত্নে রাখা হয়। আর সে জন্যই প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠছে না। সহজেই অসুস্থ হয়ে পড়ছে শিশুরা। ভাস্করবাবুর মতে, আগে শিশুদের মাটিতে শোয়ানো হতো, খালিপায়ে হাঁটানো হতো। তারা মাঠে ঘাটে ধুলোবালি মেখে অবাধে খেলা করত। আর প্রকৃতির আশীর্বাদে হয়ে উঠত শক্ত ধাতের। তিনি বলেন, ‘‘যে জন্য চিকিৎসকেরা সিজার করার চেয়ে নরমাল ডেলিভারি করাতে চান। এতে শিশুটি জন্মের সময়েই বিভিন্ন জীবাণুর সঙ্গে পরিচিত হয়ে ওঠে আর প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে।’’
তা বলে ভাস্করবাবু বা ইন্দ্রনীলবাবু কেউই অপরিষ্কার থাকার বা হাত না ধুয়ে খাবার খাওয়ার নিদান দিচ্ছেন না। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রয়োজনীয় সতর্কতা সবসময়ই অবলম্বন করতে হবে। কারণ কিছু জীবাণু বেশ ক্ষতিকারক। কিন্তু অতিথি-বন্ধুদের সঙ্গে যে হেতু অনেক অচেনা-অজানা জীবাণু বাড়িতে চলে আসে তাই তাদের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ ঘটে। আর যত বেশি জীবাণুর সঙ্গে চেনাজানা, তত রোগবালাই কম হওয়ার সম্ভাবনা। ভাস্করবাবু বললেন, ‘‘তাই আড্ডা হোক জমিয়ে।’’

বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে ঝগড়া? দায়ী আপনার নিজস্বী তোলার প্রবণতা!

বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে ঝগড়া? দায়ী আপনার নিজস্বী তোলার প্রবণতা!

ছবি: গেটি ইমেজেস।

ইদানিং প্রায়ই ঝামেলা ঝঞ্ঝাট লেগেই থাকে শ্রীময়ী এবং রাহুলের মধ্যে। শ্রীময়ী সংবাদমাধ্যমে কর্মরত। রাহুল ব্যস্ত কর্পোরেট চাকুরে। দু’জনের বহুদিনের প্রেমের সম্পর্ক। সম্পর্কের ইক্যুয়েশন কোশেন্টেও কোনও সমস্যা নেই। তবুও মাঝে মধ্যেই দু’জনের মনোমালিন্য দেখা দিচ্ছে। সমস্যা মেটাবার চেষ্টা করলেও যেন মিটছে না সমস্যা।
রাহুল-শ্রীময়ীর মতো সমস্যায় কী আপনিও আক্রান্ত? ইদানিং প্রায়ই কী দু’জনের মধুর সম্পর্কে অযথা তিক্ততা দেখা দিচ্ছে? কেন ভেবে দেখেছেন? আপনি কি অতিরিক্ত নিজস্বী তোলার প্রবণতায় আক্রান্ত? এই প্রবণতাই সব সমস্যার মূলে নয় তো?
মার্কিন মুলুকের ফ্লোরিডা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল গবেষকের দাবি, যে সব ব্যক্তিরা বেশি বেশি নিজস্বী তোলেন এবং সেই সব নিজস্বী বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘন ঘন পোস্ট করেন তাঁদের প্রেমের সম্পর্ক বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত। একাকীত্বের সমস্যায় ভোগেন সেই সব ব্যক্তিরা।
১৮ থেকে ৬২ বছরের মধ্যে ৪২০ জন ব্যক্তির উপর এই সমীক্ষাটি চালানো হয়েছে। সমীক্ষায় প্রকাশ, যাঁরা নিজস্বী তোলেন তাঁরা নিজেকে সুন্দর দেখতে ভালবাসেন। নিজস্বীতে কাকে কেমন দেখতে তার উপর ভিত্তি করেই তাঁরা লোকেদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে ভালবাসেন। তাই নিজস্বীতে যদি সঙ্গী অথবা সঙ্গিনীকে দেখতে ভাল না লাগে তা হলেই তুতু ম্যায় ম্যায়! তাই যত নষ্টের গোড়া ওই সেলফি ম্যানিয়া। গবেষণপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে ‘সাইবারসাইকোলজি, বিহেভিওর অ্যান্ড সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং নামক জার্নালে।


হার্ট অ্যাটাকের পর নিচুতলায় থাকাই ভাল

হার্ট অ্যাটাকের পর নিচুতলায় থাকাই ভাল

ছবি: এএফপি এবং গেটি ইমেজেস।

শহরের মধ্যিখানে এক টুকরো স্বর্গ। সবুজ গাছগাছালির মাঝে আপনার সাধের আশিয়ানা। এরকম গালভরা বিজ্ঞাপন অহরহই নজরে পড়ে। বিজ্ঞাপন দেখে কত বার ভেবেছেন এ রকমই বহুতলে থাকার কথা। আত্মীয়স্বজনের সংখ্যা দিন কে দিন কমছে। পাড়া কালচারও আস্তে ‌আস্তে বদলে যাচ্ছে। একমাত্র সন্তানও বহুদিন কর্ম অথবা পড়াশোনার সূত্রে অনত্র থাকে। কত বার ভেবেছেন এরকম পরিস্থিতিতে স্বামী-স্ত্রীতে মিলে বহুতলে ফ্ল্যাট কিনবেন। বাকি জীবনটা বহুতলের অন্য পরিবারগুলির সঙ্গে মিলেমিশে কাটিয়ে দেবেন। রাতবিরেতে শরীর খারাপ হলে বহুতলের নিজস্ব মেডিক্যাল ইউনিটই সামলে দেবে।
বহুতলে থাকার আগে তবে দু’বার ভাবুন। জেনে বুঝে হার্টের সমস্যাকে ডেকে আনছেন তো? যত উঁচুতে থাকবেন ততই কমবে হার্ট অ্যাটাক হলে বাঁচার সম্ভাবনা।
সম্প্রতি কানাডীয় মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য।
সাত হাজার ৮৪২ জনের উপর সমীক্ষা চালিয়েছে কানাডীয় মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন। ২০০৭ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত এই সমীক্ষা চালানো হয়েছে। সমীক্ষায় প্রকাশ, হার্ট অ্যাটাকের পর যে সব ব্যক্তিরা চার তলায় থাকেন তাঁদের মধ্যে বেঁচেছেন ৪.২ শতাংশ। চার তলার বেশি উঁচুতে যাঁরা থাকেন তাঁদের মধ্যে বাঁচার সম্ভাবনা ২.৬ শতাংশ। সতেরো তলার উপরে যাঁরা থাকেন হার্ট অ্যাটাক হলে তাঁদের মধ্যে বেঁচেছেন মাত্র ০.৯ শতাংশ। পঁচিশ তলার বেশি উঁচুতে যাঁরা থাকেন তাঁদের মধ্যে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই মৃত্যু হয়েছে সকলের।
কেন এই বিপজ্জনক সমীক্ষা?
এর কারণ হিসেবে গবেষকদের দাবি, রোগীর ফ্ল্যাট বহুতলের যত বেশি উঁচু তলায় হবে ততই কমবে বাঁচার সম্ভাবনা। কারণ হার্ট অ্যাটাক হলে প্রথম কয়েক মুহূর্তই ঠিক করে দেয় জীবন-মৃত্যুর হিসেব। যত তাড়াতাড়ি হাসপাতালে রোগীকে নিয়ে যাওয়া যাবে ততই বাড়বে তাঁকে বাঁচানোর সম্ভাবনা।
তাই উঁচু বহুতলে থাকার আগে আরও এক বার ভাবুন। না হলে কিন্তু জীবন খাতার পাতায় যতই হিসেব নিকেষ করুন না কেন সব হিসেবেই কিন্তু গুলিয়ে যাবে।

জিন্সের প্যান্টে ছোট্ট পকেটটার রহস্য কী?

জিন্সের প্যান্টে ছোট্ট পকেটটার রহস্য কী?
জিন্‌স প্যান্ট তো অনেকেই পরেন। আচ্ছা বলুন তো প্যান্টের সবচেয়ে ছোট পকেটটি কিসের জন্য থাকে? কখনও মনে হয়েছে এই ছোট্ট পকেটটি কীসের জন্য রাখা হয়েছে?
কিছু লোক হয়তো খুচরো পয়সা, বা ছোটখাটো জিনিস রাখেন। কিন্তু বেশির ভাগ মানুষই এই পকেট ব্যবহারই করেন না। কারণ পকেটটা এতই ছোট যে কোনও কিছু রাখা সম্ভব নয়।
তা হলে এর রহস্যটাই বা কী?
এক বস্ত্র বিশেষজ্ঞ এই পকেটের রহস্যের কথা জানিয়েছেন। আঠারোশ শতকে কাউবয়রা চেন দেওয়া ঘড়ি ব্যবহার করতেন। ঘড়ি রাখতেন তাঁদের ওয়েস্টকোটে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে বেশির ভাগ সময়েই ঘড়ি ভেঙে যাওয়ার ভয় থাকত। ঘড়িকে সুরক্ষিত রাখার জন্য তখন থেকেই জিন্‌সের প্যান্টে এই পকেটের আবির্ভাব। এখন অবশ্য সেই ঘড়ির চলও নেই। তবে ঐতিহ্য বজায় রেখে এখনও প্যান্টে ছোট্ট পকেটটি রাখা হয়।

Thursday, January 14, 2016

এমন জাঙ্কফুড যা আপনার শরীরকে ভাল রাখবে

এমন জাঙ্কফুড যা আপনার শরীরকে ভাল রাখবে

নিজের ওজন নিয়ে কি আজকাল খুব ভাবছেন?  জাঙ্কফুড আর আপনি কি এখন দুই মেরুর বাসিন্দা? মন জাঙ্ক ফুডের জন্য উরু উরু, কিন্তু স্লিম ট্রিম ফিগারের চক্করে ও দিকে ফিরে তাকানোও মানা? তা হলে এ বার খানিকটা নিশ্চিন্ত হন। সেদ্ধ, তেল মশলাহীন বিস্বাদের কঠিন ডায়েট চার্ট থেকে খানিক বেরিয়ে আসুন। বাজারে এমন অনেক জাঙ্ক ফুডই কিন্তু আছে যেগুলো একই সঙ্গে আপনার জিভের রসনা তৃপ্তি করবে, বজায় রাখবে সুস্বাস্থ্যও।
ডবল রোলে পারফেক্ট পাঁচটি জাঙ্ক ফুডের হদিশ রইল আপনাদের জন্য-
১) চকোলেট- শরীরের মেদ ঝড়াবার তাগিদে ভুলেও চকোলেটের সঙ্গে আড়ি করে বসবেন না যেন! চকোলেট কিন্তু বেজায় স্বাস্থ্যকর। চকোলেটে আয়ু বাড়ে। জার্নাল অফ নিউট্রিশনে প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্র অনুযায়ী, চকোলেটের মধ্যে যে পলিফেনল থাকে, তা মৃত্যুর সম্ভাবনা ৩০% কমিয়ে দেয়। আর আপনি যদি ডার্ক চকোলেট প্রেমী হন, তা হলেতো সোনায় সোহাগা। হার্টের সমস্যা নিয়ে বিশেষ মাথা ঘামাতে হবে না। ডার্ক চকোলেটে ভরপুর ফ্ল্যাভোনয়েডস থাকে। শরীরকে ফিট রাখতে এই অ্যান্টি অক্সিড্যান্টের জুরি মেলা ভাল।  
২) ফ্রেশ ক্রিম- নামটা শুনেই চমকে গেলেন তো? হ্যাঁ ক্রিমের মধ্যে ৯০% ফ্যাট থাকে। কিন্তু মজার কথা তা মোটেও ক্ষতিকর নয়। এক সঙ্গে সাধারণত, দুই টেবিল চামচের বেশি ক্রিম কেউই খান না। এতে থাকে ৫২ ক্যালোরি। ১ টেবিল স্পুন মেয়োনিজের থেকে যা অনেক কম। এমনকি এক গ্লাস ২% রিডিউশড ফ্যাট মিল্কেও এর থেকে বেশি ক্যালোরি থাকে। তাই এ বার থেকে একটু ক্রিম খেয়ে ফেললে আর অনুশোচনা করার বিশেষ প্রয়োজন নেই।
৩) পপকর্ন- সিনেমা দেখতে গেছেন, সঙ্গে এক বাকেট পপকর্ন নেই, তা-ও আবার হয় নাকি? কিন্তু ডায়েটেশিয়ানের মানা, তাই ও পথ বিশেষ মাড়ানো হয় না। ডায়েটেশিয়ানকে বুড়ো অঙুল দেখান। ঝাঁপিয়ে পড়ুন পপকর্ন বাকেটের উপর। ভুট্টার খইয়ে পলিফেনল আর অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট থাকে। এই যৌগগুলো হার্টের দেখভাল করে। বেশ কিছু ক্যান্সারের পথ অবরোধ করে।
৪) বিয়ার- মদ্যপানে টোটাল নো-নো বলার দরকার নেই। বিয়ার কিন্তু আসলে বেশ উপকারী। এর মধ্যে প্রচুর প্রচুর অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট আর সিলিকন থাকে। হাড়ের মিনেরলস-এর ভারসাম্য বজায় রাখতে যা ভীষণ ভাবেই এফেক্টিভ।
৫) কেচাপ- কেচাপের প্রতি অগাধ প্রেম? কিন্তু আপাতত সেই প্রেমের বিরহ পর্ব চলছে? প্রেমে ফিরে আসুন। চিন্তা ছুঁড়ে ফেলে কেচ্যাপে ফের মনোনিবেশ করুন। যাদের কাছে টম্যাটো কেচাপ ছাড়া সব কিছুই কার্ডবোর্ডের  মত খেতে লাগে তাদের জন্য সুখবর। কেচাপে প্রচুর লাইকোপিন থাকে, কার্ডিওভাসকুলার অসুখ বিসুখ রোধে যা এক কথায় অনবদ্য।
অতএব টেস্টি খানা খেতে থাকুন। তবে ‘কোন কিছুই অতিরিক্ত ভাল না’-এই কথাটা মাথায় রাখবেন। লাইসেন্স পেয়ে গেছেন ভেবে যদি লাগাম ছাড়া খাওয়া দাওয়া শুরু করেন তাহলে আপনার মোটা হওয়া আটকাবে কার সাধ্যি! তাই প্রাণ ভরে খান, কিন্তু মেপে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গর্ভবতীরা ডাবের জল খান

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গর্ভবতীরা ডাবের জল খান

অফিস আর বাড়িতে কাজের চাপে এমনিতেই নিজের প্রতি খেলায় রাখাতেই ভুলে যান মেয়েরা। বেশির ভাগ সময়েই খিদে মনে করিয়ে দেয় খাওার কথা। কিন্তু ‘মিস’ করে যান জল খেতে। বিশেষ করে সমস্যা দেখা যায় শীতকালে। মাথায় রাখবেন, পর্যাপ্ত পরিমাণে জল না খেলে আদপে কিন্তু আপনারই ক্ষতি। তাই সমস্ত মেয়েরা তো বটেই, বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলারা এখনই সাবধান হন। রাস্তাঘাটে চলার পথে খেয়ে নিন ডাবের জল। ডাবের জলই গর্ভবতীদের জন্য খুব উপকারী।
চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ডাবের জলে প্রচুর পরিমাণে ক্লোরাইড, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যা

ভুঁড়ি কমিয়ে সুস্থ থাকুন

ভুঁড়ি কমিয়ে সুস্থ থাকুন

ভুঁড়ি ব্যাপারটা দেখতে যেমন খারাপ লাগে তেমনই স্বাস্থ্যের পক্ষে খারাপ। এমনিতে ধরুন আপনি বেশ স্লিম ট্রিম, হ্যান্ডু, কিন্তু ওই পেটের কাছে এক গোছা চর্বির পুরু লেয়ার আপনার সব রূপে চোনা ফেলে দেয়। শুধু রূপ নয়, এই অবাঞ্ছিত ভুঁড়ি নষ্ট করে আপনার ফ্লেক্সিবিলিটিও। নষ্ট করে পরিশ্রম করার ক্ষমতাও। তবে এতেই কিন্তু শেষ নয়। নতুন এক গবেষণা জানাচ্ছে, এই ভুঁড়ি কমিয়ে দেয় আয়ুও। এমনকী, ওবেসিটির থেকেও ভয়ানক ওই পেটের কাছে মেদের টায়ার। বিজ্ঞানীরা বলছেন, অতিরিক্ত ওজন না হলেও শুধু ভুঁড়িই একার দায়িত্বে জীবনের দিন কমিয়ে দেয়।থার্ড ন্যাশনাল হেল্থ অ্যান্ড নিউট্রিশন এক্সামিনেশন সার্ভের তথ্য অনুযায়ী ভুঁড়ি থাকলে কার্ডিও ভাসকুলার মর্টালিটি বেড়ে যায়। বয়স, বিএমআই যাই হোক না কেন এই তথ্যই জানিয়ে দিচ্ছে ওবেসিটির না থাকলেও শুধু ভুঁড়ি কারণে আয়ু লক্ষ্যণীয়ভাবে কমে। মোটাদের থেকেও ভুঁড়িওলা মানুষদের জীবনের ঝুঁকি প্রায় দ্বিগুণ।

মাঝে মাঝেই পেশিতে টান ধরে? জেনে নিন কী করবেন

মাঝে মাঝেই পেশিতে টান ধরে? জেনে নিন কী করবেন

আপনার কি মাঝে মাঝেই রাতে পেশিতে টান ধরে ঘুম ভেঙে যায়? সকালে উঠে পা সোজা করতে পারেন না? পেশিতে টান ধরার সমস্যায় প্রায় সকলেই ভোগেন। ডিহাইড্রেশনের কারণেই মূলত পেশি টান ধরে। জেনে নিন পেশিতে টান ধরলে কী করবেন।

কী ভাবে ধরে পেশিতে টান?
মানব শরীরে পেশি হল দু’ধরনের। (১) যারা কি না ইচ্ছা মতো চলে, যেমন হৃত্‌পিণ্ড। (২) ঐচ্ছিক পেশি। যাকে আমরা নিজেদের মতো করে চালাতে পারি। ঐচ্ছিক পেশির সহায়তায় আমরা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নাড়াচাড়া করে বিভিন্ন কাজ করে থাকি। এই পেশিগুলো সাধারণত সঙ্কুচিত বা প্রসারিত হয়। কিন্তু কিছু সময় পেশিগুলো স্থায়ী ভাবে সঙ্কুচিত হয়ে থাকে প্রসারিত হতে পারে না। একেই বলে পেশিতে টান ধরে।
যাঁরা ক্রনিক কোনও রোগে ভুগছেন বা যাঁদের চোটআঘাতজনিত সমস্যা আছে তাঁদের পেশিতে টান লাগা স্বাভাবিক। কিন্তু যাঁদের এই সমস্যা নেই তাঁদেরও কিছু কারণে লাগতে পারে পেশিতে টান।

কী কী কারণে পেশিতে টান ধরে?
(১) শরীরের ক্ষমতা যতটা তার থেকে যদি বেশি শক্তি প্রয়োগ করা হয় তা হলে পেশির মধ্যে জমা হয় ল্যাক্টিক অ্যাসিড। যা আমাদের পেশিকে সঙ্কুচিত করে রাখে প্রসারিত হতে দেয় না।
(২) আমাদের শরীর নব্বুই শতাংশই তরলে পূর্ণ। শরীরে তরলের পরিমাণ যখন সঠিক থাকে অঙ্গগুলিও ঠিক মতো কাজ করে। জলের পরিমাণ কম হলেই শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হয়। তখনই পেশির সঙ্কোচন দেখা যায়।
(৩) সুস্থ থাকার জন্য ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামের মতো বিভিন্ন মিনারেলস বা খনিজ পদার্থের প্রয়োজন। তেমনই প্রয়োজন বি-৬, বি-১২, বি-সি-র মতো বিভিন্ন ভিটামিনের। শারীরবৃত্তীয় কারণে যদি এই সব ভিটামিন বা মিনারেলের তারতম্য হয় তবে পেশিতে টান লাগতে পারে।
কী উপায় এড়ানো যাবে এই সমস্যা?
(১) পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেতে হবে।
(২) সারাদিনের আহার সময় মতো গ্রহণ করা প্রয়োজন। ব্যালেন্স ফুড খাওয়া খুব জরুরী।
(৩) এক নাগাড়ে কাজ না করে মাঝে মধ্যে সাময়িক বিরতি নিতে হবে।
(৪) ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফল খেতে হবে।
(৫) গর্ভাবস্থায় অনেক মহিলার খনিজ পদার্থের ঘাটতি দেখা যায়। বারবার পেশিতে টান ধরলে অবিলম্বে চিকিত্সকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
এই সব উপায়গুলিকে অনুসরণ করলেই মিলবে সাময়িক স্বস্তি।

রোদ পোহান, ব্লাড ক্যানসারের ঝুঁকি কমান

রোদ পোহান, ব্লাড ক্যানসারের ঝুঁকি কমান

আমাদের দেশে বহুকাল থেকেই তেল মেখে রোদ পোহানোর রেওয়াজ। বিচে শুয়ে রোদ পোহানো, রোদে গরম জলে স্নান করলে যে শরীর ভাল থাকে সে কথাও কারও অজানা নয়। এমনকী, সূর্যের আলোয় রাখা হালকা গরম জল নাকি ব্যাকটেরিয়া মুক্ত থাকে বহুক্ষণ। তবে জানেন কি ব্লাড ক্যানসার রোধ করতেও সাহায্য করে সূর্যরশ্মি? এমনটা দাবি করেছেন ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির সান দিয়েগো স্কুল অফ মেডিসিনের অধ্যাপক সেড্রিক গারল্যান্ড।
বিশ্বের মোট ১৭২টি দেশে ক্যানসারের প্রকোপ বাড়ার খতিয়ান থেকে গবেষকরা দেখেছেন পাহাড়ি এলাকা, অধিক উচ্চতায় বসবাসকারী মানুষদের মধ্যে লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা অনেক বেশি। গারল্যান্ড জানান, গবেষণায় দেখা গিয়েছে উচ্চতর জায়গার বাসিন্দাদের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি প্রায় দ্বিগুণ। সমীক্ষা বলছে, অস্ট্রেলিয়া, নিউ জিল্যান্ড, চিলু, আয়ারল্যান্ড, কানাডা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণত সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে, বলিভিয়া, সামোয়া, মাদাগাসকর ও নাইজিরিয়ায় ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা সবচেয়ে কম দেখা যায়।
গারল্যান্ড জানান, ‘‘ভিটামিন ডি-র অভাব লিউকোমিয়ার অন্যতম কারণ। বিষুবরেখা থেকে দূরত্ব যত বাড়ে সরাসরি সূর্যরশ্মির প্রভাব তত কমে যায়। আলট্রাভায়োলেট বি(ইউভিবি) রশ্মির অভাবে রক্সে ভিটামিন ডি মেটাবলিজমের মাত্রা কমে। ফলে লিউকোমিয়ার ঝুঁকি বাড়ে।’’
পিএলওএস ওয়ান অনলাইন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এই গবেষণার ফল। 

নিশ্বাসই বলে দেবে আপনি ক্যানসারে আক্রান্ত কিনা

নিশ্বাসই বলে দেবে আপনি ক্যানসারে আক্রান্ত কিনা

ক্যানসার হয়েছে কিনা জানতে এ বার আর কষ্টদায়ক পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে না। স্মার্টফোন বা অন্য কোনও যন্ত্রের সঙ্গে সেন্সর লাগিয়ে নিশ্বাস পরীক্ষা করলেই বোঝা যাবে আপনি ক্যানসারে আক্রান্ত কিনা। জাপানের সুবুকার দ্য ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ফর মেডিক্যাল সায়েন্স সেই ছোট্ট সেন্সর তৈরি করেছে। যার সাহায্যে অসুখের প্রাথমিক পর্যায়ে শুধুমাত্র নিশ্বাসের গন্ধ থেকেই বোঝা যাবে কেউ আক্রান্ত হয়েছেন কিনা।
এই সেন্সরটির কার্যকরী ব্যবহারের জন্য বেশ কয়েকটি জাপানি সংস্থা, ওসাকা ইউনিভার্সিটির ও একটি সুইস সংস্থার সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে এনআইএমএস। সেন্সরে চিপ ইন্সটল করলে কয়েক বর্গ মিলিমিটারের মধ্যে কোনও ক্যানসার আক্রান্ত ব্যক্তি রয়েছেন কিনা তা নিশ্বাস পরীক্ষার মাধ্যমে বোঝা যাবে। এই সেন্সর স্মার্টফোনের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। স্মার্টফোনের স্ক্রিনে ফুটে ওঠা গ্রাফ জানিয়ে দেবে আপনি ক্যানসারে আক্রান্ত কিনা। চিকিত্সকরা জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস, কিডনি বা লিভারের অসুখ, হাঁপানির সমস্যা থাকলেও নিশ্বাসে অদ্ভুত গন্ধ হয়। ফলে এই সেন্সরের সামনে নিশ্বাস ফেললে রোগও নির্ধারণ করা যাবে।
তবে এই সেন্সর বাস্তবায়িত হয়ে এখনও অন্তত ছ’বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। এই মুহূর্তে জাপানে মৃত্যুর অন্যতম কারণ ক্যানসার। প্রতি বছর এই রোগে চার লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়।

পায়ে দুর্গন্ধ, অতিষ্ট সকলে, সমাধান কীসে?

পায়ে দুর্গন্ধ, অতিষ্ট সকলে, সমাধান কীসে?

পায়ে প্রচণ্ড দুর্গন্ধ হয়? শীত হোক বা গ্রীষ্ম—সারা বছরেই এর জন্য নানা অসুবিধায় পড়েন।  মুখে কেউ কিছু না বললেও আড়ালে সকলেই আপনাকে নিয়ে হাসাহাসি করেন। সহজ উপদেশ মানুন। পা-কে দুর্গন্ধমুক্ত করুন।

 • ফুটনো চা-পাতা দিয়ে প্রতিদিন ২০ মিনিট করে পা ভিজিয়ে রাখুন৷ এতে পা কম ঘামবে।
 • ফুটানো চা-পাতার অ্যাসিড জীবাণুনাশক।
  জুতোর সঙ্গে মোজাও পরুন। পাতলা সুতির মোজা পায়ের ঘাম শুষে নেয়। ফলে পায়ে জীবাণু বাসা বাঁধতে পারে না।
 প্রতিদিন একই মোজা ব্যবহার করবেন না।
 অ্যান্টিফ্যাঙ্গাল পাউডার বা ফুট স্প্রে ব্যবহার করুন।
 প্রতিদিন জুতো পাল্টে নিন। একই জুতোতে পায়ে ঘাম বেশি হয়।
 পায়ের পাতায় অক্সিজেন লাগালে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি কমে যায়। ফলে দুর্গন্ধও হবে না।
 ঢাকা জুতো না পরে খোলা জুতো পরুন।
 যদি একান্তই ঢাকা জুতো পরতে হয় তা হলে কাজের ফাঁকে মাঝে মাঝে জুতো খুলে নিয়ে পাযে হাওয়া লাগান।

চোখের সামনে বেশি খাবার দেখলে মোটা হয়ে যাবেন!

চোখের সামনে বেশি খাবার দেখলে মোটা হয়ে যাবেন!

ছবি: এএফপি।

খেতে ভালবাসেন। দিন কে দিন বাড়ছে দেহের ওজন। চিকিত্সক নিষেধ করেছেন বেশি পরিমাণে খেতে। পরিবার পরিজন সকলেই বার বার করেছেন বেশি বেশি না খেতে। কিন্তু কী করবেন আপনি! না খেয়ে যে থাকতে পারেন না। খাদ্যরসিক যে আপনি। আবার কঠোর ডায়েট পালন করতেও পারেন না আপনি।
ওজন না কমালে যে রোগ বাসা বাঁধবে দেহে। তবে উপায়?
খাবার রাখার বাসন বা খাবারের টুকরো ছোট করে দেখুন তো! দিন কে দিন বাড়তে থাকা ওজন কমবে। ভাববেন না রসিকতা করছি। খাবারের টুকরো, খাবার রাখার জায়গার আয়তন কমিয়ে ছোট করলে কমবে দেহের ওজন। এমনই দাবি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল গবেষকের। ব্রিটিশ গবেষকদের দাবি, যদি খাবার রাখার পাত্র এবং খাবারের টুকরো ছোট করে দেওয়া হয় তবে খাদ্য থেকে পাওয়া শক্তির পরিমাণ কমে যায় অন্তত ৫০ শতাংশ। সমীক্ষায় তাঁরা দেখিয়েছেন, খাবারের পাত্রের আকার ছোট করে দিলে ব্রিটেনে এক জন প্রাপ্তবয়স্ক লোকের শরীরে শক্তি কমেছে ১২ থেকে ১৬ শতাংশ। আাবার আমেরিকা এই শক্তি কমার পরিমাণ ২২ থেকে ২৯ শতাংশ। গবেষকদের দাবি, চিপস, কেক, সফট ড্রিঙ্কের মতো লোভনীয় ফাস্ট ফুডের ক্ষেত্রে যদি এই নীতি নেওয়া যায় তবে এই সব লোভনীয় খাবার খেলেও দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
তাই বরং এক বার খাবারের পাত্রের আয়তনই বদলে ফেলুন। মোটা হয়ে যাবেন বলে আর চিন্তা করতে হবে না।   

অলিভ ওয়েল, সাদা তেল না সর্ষের তেল, সুস্থ থাকতে খাবেন কোন তেল?

অলিভ ওয়েল, সাদা তেল না সর্ষের তেল, সুস্থ থাকতে খাবেন কোন তেল?

আগে বাঙালির হেঁশেল মানেই সর্ষের তেলের ঝাঁঝ, স্নানের আগে সর্ষের তেল মেখে ব্যায়াম, আর নাকে সর্ষের তেল দিয়ে ঘুম। তবে ওজন কমাতে সবাই এখন ঝুঁকছেন অলিভ অয়েলের দিকে। মালিশ করছেন অ্যারোমেটিক অয়েল। অথচ সর্ষের তেল স্বাস্থ্যগুণে ভরপুর। জেনে নিন সর্ষের তেলের গুণ।
১। হার্ট- সর্ষের তেলে রান্না খাবার খেলে কার্ডিও ভাসকুলার সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৭০ শতাংশ কমে যায় বলে জানাচ্ছেন চিকিত্সকরা।
২। হজম- সর্ষের তেল উত্‌সেচকের ক্ষরণ বাড়িয়ে হজমে সাহায্য করে।
৩। ক্যানসার- সর্ষের তেলে থাকা ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল ক্যানসার রুখতে সাহায্য করে।
৪। অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল- সর্ষের তেলের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফাংগাল গুণ ত্বকের ইনফেকশন কমাতে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৫। সর্দি কাশি- সর্ষের তেল ফুসফুসের সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে। বন্ধ নাকে সর্ষের তেল দিলে আরাম পাওয়া যায়। ঘুম ভাল হয়।
৬। গাঁটে ব্যথা- বাতের ব্যথা, যন্ত্রণা উপশমেও ভাল কাজ করে সর্ষের তেল।
৭। মালিশ- সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির হাত থেকে রক্ষা করে সর্ষের তেল। শিশুদের সর্ষের তেল মালিশ করলে বৃদ্ধি ভাল হয়। বড়দের ক্ষেত্রেও মালিশ রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে।
৮। ত্বক ও চুল- সর্ষের তেলের ভিটামিন ই শুষ্ক ত্বকের সমস্যা দূর করতে, বলিরেখা রুখতে সাহায্য করে। স্ক্যাল্পে সর্ষের তেল মালিশ করে চুল পাকার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

সস্তার পেন কিলার রুখে দেবে ক্যানসার?

সস্তার পেন কিলার রুখে দেবে ক্যানসার?

এত দিন পর্যন্ত পেন কিলারকে ভিলেন হিসেবেই জেনে এসেছি আমরা। পেন কিলার বেশি খাওয়া উচিত্ নয়। অ্যাসিডিটি, অ্যাস্থমার মতো রোগ হতে পারে পেন কিলার থেকে। এমনটাই আমরা শুনে এসেছি এতদিন। আর এই পেনকিলারই নাকি হতে পারে ক্যানসারের মতো মারণ রোগের ওষুধ।
ডিক্লোফেন্যাক নামের এক কম দামী পেন কিলার বাজারে নিয়ে এসেছেন একদল গবেষক। তাঁদের দাবি এই পেন কিলারের রয়েছে ক্যানসার রুখে দেওয়ার ক্ষমতা। সাধারণত অপারেশনের পরই ক্যানসার বেশি ছড়িয়ে পড়ে। ডিক্লোফেন্যাক এই ক্যানসারের ছড়িয়ে পড়াই রুখে দিতে পারে। তবে কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপির সঙ্গে এই ওষুধ খেলে তবেই ক্যানসার ছড়িয়ে পড়া রোখা যাবে।

কেন নিয়মিত টোম্যাটো খাবেন, জেনে নিন

কেন নিয়মিত টোম্যাটো খাবেন, জেনে নিন

শীতকালে টোম্যাটো খেতে কে না ভালবাসে। সারা বছর টোম্যাটোর সুস্বাদু সালাড, বা স্যান্ডউইচে টোম্যাটোও বেশ উপাদেয়। তবে শুধু খেতে ভাল তা নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও অত্যন্ত উপকারী টমেটো। এমনকী, রূপচর্চার জন্য টোম্যাটোর তুলনা নেই। জেনে টোম্যাটোর কিছু গুণ।
১। চোখ- টোম্যাটোর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ। তাই টোম্যাটো চোখের জন্য অত্যন্ত উপকারী। শিশুদের রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে টোম্যাটো। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখে টমেটো। ছানি পড়ার রুখতেও টমেটো কার্যকর।
২। ডায়াবেটিস-টোম্যাটোর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ক্রোমিয়াম রয়েছে। এই ক্রোমিয়াম রক্তে শর্করার মাত্রা আয়ত্তে রাখে। ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।
৩। হার্ট- টোম্যাটোর মধ্যে থাকা পটাশিয়াম রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে প্রতি দিনের ডায়েটে টোম্যাটো থাকলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে।
৪। কিডনি- ডায়েটে টোম্যাটোর বীজ থাকলে কিডনি স্টোন হওয়ার ঝুঁকি কমে।
৫। ত্বক- টোম্যাটোর মধ্যে থাকে লাইকোপেন। তাই টোম্যাটো খেলে ত্বক উজ্জ্বল হয়। টোম্যাটো টুকরো টুকরো করে কেটে মুখের উপর ১০ মিনিট রাখন। জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক ঝকঝকে লাগবে। টোম্যাটোর ফেস প্যাকও ত্বকের জন্য ভাল।
৬। চুল- টোম্যাটোর ভিটামিন এ চোখের পাশাপাশি চুল, নখ ও দাঁতও ভাল রাখে।
৭। হাড়- হাড় সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন কে। এই দুটোই টোম্যাটোর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। ফলে টোম্যাটোরখেলে হাড় সুস্থা থাকে।
৮। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট- ভিটামিন এ, ভিটামিন সি ও বিটা ক্যারোটিন শরীরে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের মাত্রা বাড়ায়। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
৯। ধুমপান- ধুমপানের জন্য শরীরের যে ক্ষতি হয় টোম্যাটোর মধ্যে থাকা কোমেরিক ও ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড সেই ক্ষতি পূরণ করতে পারে।
১০। ক্যানসার- টোম্যাটোর লাইকোপেন খুব ভাল অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। এই লাইকোপেন ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি রুখতে পারে। তাই রোজ
টোম্যাটোর স্যুপ খেলে প্রস্টেট, কোলোরেকটাল ও পেটের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে।

ফেসবুকের ফেক প্রোফাইল থেকে সাবধান থাকবেন কী ভাবে

ফেসবুকের ফেক প্রোফাইল থেকে সাবধান থাকবেন কী ভাবে

ফেসবুকে আলাপ থেকে প্রেম, প্রতারণা, অবশেষে আত্মহত্যা। এমন ঘটনা এখন প্রায় রোজই শোনা যায়। ফেক প্রোফাইলের আড়ালে অপরাধমূলক কাজে ভরে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। আবার প্রতিশোধ স্পৃহার বশেও অনেকে তৈরি করেন ফেক প্রোফাইল। সতর্ক থাকুন। বোঝার চেষ্টা করুন, ফেক প্রোফাইল কিনা।
১। অচেনা কাউকে বন্ধু করার আগে দ্বিতীয় বার ভাবুন। ফ্রেন্ড লিস্টে বন্ধু সংখ্যা বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় হুটহাট কাউকে অ্যাড করবেন না। অচেনা রিকোয়েস্ট এলে প্রশ্ন করুন। জানতে চান তিনি কেন আপনাকে রিকোয়েস্ট পাঠালেন। উত্তর শুনে বিশ্বাসযোগ্য মনে হলে তবেই অ্যাকসেপ্ট করুন।
২। প্রোফাইল ভাল করে পড়ুন। কী করেন, কোথায় থাকেন, কোথায় পড়াশোনা করেছেন সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য আছে কিন দেখুন। কোনও সংস্থার নাম বা ইউনিভার্সিটির নাম নিয়ে সন্দেহ হলে গুগলে খুঁটিয়ে দেখুন। বয়স খুব অল্প অথচ নিজেকে প্রফেসর বা সিইও বলছেন, এমন মানুষ ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠালে অবশ্যই ভেবে দেখবেন। প্রোফাইল আকর্ষক করতে এরা অনেক কিছু করে থাকেন।
৩। ফ্রেন্ডলিস্ট খুঁটিয়ে দেখুন। এনার বন্ধুরা কি বেশিরভাগ স্থানীয়? নাকি বেশির ভাগই বিদেশি? যদি দেখেন বন্ধুরা অধিকাংশই বিদেশি তাহলে অবশ্যই মানুষটা সন্দেহজনক।
৪। মিউচুয়াল ফ্রেন্ডে চেনা বন্ধ থাকলেও সতর্ক থাকুন। চেনা বন্ধুকে জি়জ্ঞাসা করুন আপনাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট মানুষটিকে চেনেন কিনা। বিশ্বাসযোগ্য উত্তর পেলে তবেই অ্যাড করুন।
৫। ফোটো খুঁটিয়ে দেখুন। বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর, পরিবারের সঙ্গে ছবি রয়েছে? কেউ কি এনাকে ট্যাগ করেছে? করে থাকলে তাদের প্রোফাইল কী বলছে? ছবিগুলো কি সন্দেহজনক? প্রোফাইলে কি অত্যন্ত হ্যান্ডসাম কোনও যুবক বা সুন্দরী মহিলার ছবি? নাকি ছবি নেই? এমনটা হলে সতর্ক থাকুন।
৬। ঠিক কী ধরনের জিনিস পোস্ট করেন ইনি? অধিকাংশই কি কোনও ছবি বা কোটেশন? কোনও মৌলিক পোস্ট রয়েছে কিনা খুঁটিয়ে দেখুন। যদি থাকে তবে তা নিয়ে বন্ধুরা মন্তব্য করেছেন কিনা, লাইক করেছেন কিনা, শেয়ার করেছেন কিনা অবশ্যই দেখে নিন।
৭। যদি ইতিমধ্যেই অ্যাড করে থাকেন তবে খেয়াল রাখুন ইনি কী বলছেন সেই দিকে। কথাবার্তা কি অসঙ্গত? নিজের সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দেন নাকি একেবারেই দেন না? এই দুটোই কিন্তু সন্দেহজনক। সন্দেহ হলে পাল্টা প্রশ্ন করুন।
৮। ফোন নম্বর- অল্প আলাপেই নিজের ফোন নম্বর, ইমেল অ্যাড্রেস দিয়ে দেবেন না। যদি দেখেন প্রথম দিনই ইনি আপনার নম্বর চাইছেন, দেখা করতে চাইছেন তবে অবশ্যই সতর্ক হোন।
৯। প্রেম- শুরু থেকেই আপনার প্রতি ভাললাগা প্রকাশ করেন বা প্রেম নিবেদন করেন তাহলে নির্দ্বিধায় এনাকে ফ্রেন্ড লিস্ট থেকে বাদ দিন। ফেক প্রোফাইল থেকে এই ধরনের প্রস্তাব প্রায়ই আসে।
১০। অশালীন প্রস্তাব- এমটা হলে অবিলম্বে ব্লক করুন। যদি চ্যাট করতে করতে আপনাকে ছবি পাঠাতে বলেন বা আপনার সব ছবি লাইক করতে থাকেন তাহলে বুঝবেন মানুষটি বিপজ্জনক। এদের ব্লক করে রাখাই ভাল।

ডায়বেটিসের ভয়ে দূরে সরিয়ে না রেখে আপন করুন আলুকে

ডায়বেটিসের ভয়ে দূরে সরিয়ে না রেখে আপন করুন আলুকে

 
আলু ভাল না মন্দ? আলু খেতে ভালবাসেন না এমন মানুষ বিরল। এ দিকে আবার আলু খেলে মোটা হয়, ডায়াবেটিসে আলু খাওয়া মানা এমন হাজারো বায়নাক্কার চোটে আলু প্রায় ভিলেন। তবে চিকিত্সকরা জানাচ্ছেন পৃথিবীর অন্যতম স্বাস্থ্যকর খাবার আলু। জেনে নিন আলুর খাদ্যগুণ।
১। দাঁত ও হাড়ের যত্নে- আলুর মধ্যে থাকা আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, জিঙ্ক দাঁত ও হাড় ভাল রাখতে সাহায্য করে।
২। রক্ত চাপ- সোডিয়াম খাওয়া কমালে যেমন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, তেমনই প্রতি দিনের ডায়েটে পটাশিয়ামের পরিমাণ বাড়ালে উচ্চ রক্তচাপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে। আলুর মধ্যে থাকা পটাশিয়াম, সঙ্গে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
৩। সুস্থ হার্ট- আলুর ফাইবার ভিটামিন সি ও ভিটামিন বি-৬ থাকার কারণে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে হার্টের অসুখে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে।
৪। যন্ত্রণা উপশমে- আলুর পুষ্টিগুণে পেশি সচল থাকে, ঘুম ভাল হয়, মস্তিষ্কও সচল থাকে। আলুর মধ্যে থাকা কোলিন কোষের গঠন ঠিকঠাক রেখে নার্ভের সমস্যা দূর করে। ফলে যন্ত্রণার উপশম হয়।
৫। ক্যানসার- আলুর মধ্যে থাকা ফলেট ডিএনএ সিন্থেসিস ও পুনর্গঠনে সাহায্য করে। ফলে ক্যানসার রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আলু। ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কোলেরেক্টাল ক্যানসার রোধে কার্যকরী।
৬। হজম ক্ষমতা- আলুর মধ্যে থাকা ফাইবার হজম ক্ষমতা বাড়ায়। কন্সটিপেশন রোধে সাহায্য করে।
৭। ওজন- আলুর ডায়েটারি ফাইবার হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৮। মেটাবলিজম- আলুর মধ্যে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-৬ থাকায় এনার্জি মেটাবলিজমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় আলু। কার্বহাইড্রেট ও প্রোটিন গ্লুকোজ ও অ্যামাইনো অ্যাসিডে ভেঙে গিয়ে মেটাবলিজম রেট বাড়ায়।

একনাগাড়ে না-পড়ে বিরতি না

সামনে দুই বড় পরীক্ষা: কী করে নম্বর বাড়বে

8

একনাগাড়ে না-পড়ে বিরতি নাও

কতক্ষণ পড়া
পরীক্ষার মুখে এই সময় দিনে ১০-১২ ঘণ্টা পড়লে ভাল। তবে, রাতে প্রায় সাত ঘণ্টা ঘুম একান্ত ভাবে দরকার। একনাগাড়ে পড়ার চেয়ে তিন ঘণ্টা অন্তর মিনিট ১২-১৫ বিশ্রাম নিলে ক্লান্তি এড়ানো যাবে। রাতে তাড়াতাড়ি শুয়ে ভোরে পড়ার অভ্যাস করতে পারলে ভাল।

রুটিন ভাগ
মুখস্থ করার কাজটা সকাল থেকে বিকেলের মধ্যে করে নেওয়া ভাল। সন্ধ্যার পর থেকে লিখে অভ্যাস করা উচিত। প্রতি দিন অঙ্কের একটা টেস্ট পেপারের সমাধান করা দরকার। রসায়ন-ভৌতবিজ্ঞান এমন ভাবে আয়ত্তে থাকা দরকার যাতে রোজ না পড়লেও যে কোনও সময় ‘মক টেস্ট’ দেওয়া যায়। সন্ধ্যার পর অনেকটা সময় থাকে। এই সময় পরীক্ষাগুলো দিলে ভাল। জীববিজ্ঞানের উত্তর লেখা ছাড়াও ডায়াগ্রামের উপর  জোর দেওয়া দরকার। এটা নিয়মিত অভ্যাস করার সময় রুটিনে রাখতে হবে।


আর্টস
ইংরেজি-বাংলায় ভাল করতে গেলে নিয়মিত ঘড়ি ধরে উত্তর লিখতে হবে।  ইতিহাসের ক্ষেত্রে একটি বই পড়লেই হয় না। পাঠ্যপুস্তকের পাশে রেফারেন্স বই (প্রয়োজনে একাধিক)  এবং বাড়তি নোট ব্যবহার করে উত্তর তৈরি করে রাখা ভাল। ভূগোল ভাল করে পড়া ছাড়া নিখুঁত ডায়াগ্রাম ও ম্যাপ পয়েন্টিং-এ অভ্যস্ত হতে হবে।

সায়েন্স
প্রথমেই বলি, প্রতিটি বিষয় সম্পর্কে যেন স্পষ্ট ধারণা থাকে। অঙ্কের ক্ষেত্রে পর্ষদের বই হাতের তালুর মত দখলে রাখা দরকার। আগের বছরগুলোর টেস্ট পেপার সমাধান  করলে আরও ভাল হয়। মেনসুরেশন ও ইন্টারেস্টের নানা সূত্র, জ্যামিতির রাইডার ও থিয়োরেম, কন্টিনিউড অপারেশনের বিভিন্ন অপারেশন প্রভৃতি যেন রপ্ত থাকে।
ভৌতবিজ্ঞান ও রসায়নে পাঠ্য ও সহায়ক বই মিলিয়ে উত্তর তৈরি করো। সব অধ্যায়ই গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে আলোর লেন্সের ছবি এঁকে অভ্যাস করবে। আর কারেন্ট ইলেকট্রিসিটির সার্কিট আঁকবে। মডার্ন ফিজিক্সের সমীকরণগুলোও মনে রাখবে।
রসায়ন বার বার খুঁটিয়ে পড়বে। অ্যাটমিক স্ট্রাকচার, পিরিয়়়ডিক টেবিল, মিনারেল অ্যাসিডস্্ ও অর্গানিক কেমিস্ট্রির উত্তর লিখে লিখে অভ্যাস করবে। অ্যাসিড-এর সমীকরণগুলো ভাল ভাবে আয়ত্ত করবে। গ্যাসীয় অবস্থা, ওজন নির্ণয় এবং ‘মোল কনসেপ্টের’ অঙ্ক যেন হাতের মুঠোয় থাকে। জীববিজ্ঞানের প্রতিটি অধ্যায়ে তিন ‘ডি’, মানে ডেফিনিশনস, ডেসক্রিপশনস এবং ডিফারেন্সেস ভাল করে পড়বে। ডায়াগ্রাম অভ্যাস করবে।

শিয়রে পরীক্ষা
পরীক্ষার আগের দিন গুরুত্বপূর্ণ। তার আগেই প্রত্যেকটি বিষয়ের প্রস্তুতি এমন ভাবে করতে হবে যাতে নিজের উপর পূর্ণ আস্থা থাকে।  বিজ্ঞানের পরীক্ষাগুলির আগে বিভিন্ন অধ্যায়ের উপর চোখ বুলিও। পারলে, ঘড়ি ধরে ২০১৪-র পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের উত্তর অভ্যাস করে রেখো। ইংরেজি-বাংলার আগের দিন পাঠ্যগুলি ভাল করে পড়ে নিয়ে উত্তর ও রচনার সূত্রগুলো দেখবে। ইতিহাসের ক্ষেত্রে বই-নোটস-সহায়ক বই মিলিয়ে তৈরি উত্তরপত্রে চোখ বোলাও বারবার। মক টেস্টের খাতায় নিজের ভুল দেখে নিও। পরীক্ষার আগের দিন নতুন বই পড়তে হবে না। তাতে বিভ্রান্তি ও চাপা উত্তেজনা বাড়তে পারে। পরীক্ষার আগে অন্য ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে বেশি আলোচনা নিষ্প্রয়োজন।

পরীক্ষার সময়ে
পরীক্ষার আগের রাতটা পড়াশোনা ঠিক নয়। ঘুম যেন পর্যাপ্ত হয়। আগের দিন ও পরীক্ষার দিন হাল্কা খাবার খাবে। মাথা ঠান্ডা করে, ঘড়ির সময় হিসাব করে উত্তর দেবে। শেষে যেন একটু সময় থাকে, রিভাইসের জন্য।

পরীক্ষার পর
পরীক্ষা দিয়ে এসে বিশ্রাম নিও। পরীক্ষা কেমন দিয়েছে, তা নিয়ে বেশি মাথা ঘামিও না।  যেটা হয়ে গিয়েছে, সেটা নিয়ে ভেবে লাভ নেই।  এক সপ্তাহ শুধু বই পড়া, গান শোনা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা-মজা নিয়ে থেকো। পারলে বেড়িয়ে এসো। উচ্চ মাধ্যমিকের বিশাল পাঠ্যসূচিতে আর সময় পাবে না।

নাক ডাকা কমাতে কী করবেন

নাক ডাকা কমাতে কী করবেন


নাক ডাকার সমস্যা চিরকেলে। রাতে আপনার ভয়ানক নাসিকা গর্জনের জেরে পাশের মানুষটির ঘুমের দফারফা। ফল স্বরূপ সকাল বিকেল জুটছে গালি, তিরস্কার। এক কথায় প্রেস্টিজের ফালুদা। এই ফুররফত্-এর অসহ্য ক্যাকাফোনি আপনাকে যে মনে মনে কত জনের অভিশাপের টার্গেট করে তুলছে তার হিসেব কেই বা রাখে! নাক ডাকা রাতারাতি থামিয়ে ফেলা আপনার সাধ্যি নয়। কিন্তু কিছু জিনিস খানিক মাথায় রাখলে এই অগাধ বিড়ম্বনর হাত থেকে কিছুটা নিস্তার পাওয়া যায় বৈকি।
নাক ডাকা নিয়ন্ত্রণের পাঁচ মহৌষধি---
১) ওজন কমান। অতিরিক্ত ওজন শরীরে হাজারো সমস্যার সঙ্গেই বাড়িয়ে তোলে নাক ডাকার বেগ। মোটা লোকেরা রাতে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে নাক দিয়ে সিংহ গর্জন করতে পারেন। অন্যের বিরক্তির কারণ না হয়ে একটু স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া প্র্যাকটিস করুন। খিদে পেলেই গপগপ করে এক গাদা খেয়ে ফেলার কিন্তু কোনও মানেই হয় না।
২) চিত্ হয়ে নয়, চেষ্টা করুন পাশ ফিরে শোয়ার।
৩) গলা পর্যন্ত মদ খেয়ে ধুপ করে ঘুমিয়ে পরবেন না। মাতালদের নাসিকা একটু বেশিই ডাকে। এটা প্রমাণিত। অতএব মনের সুখে মদ খেয়ে টুকটুক করে বিছানার দিকে পারি দেবেন না। হাঁটতে যদি নাও পারেন, বেশ কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে থাকুন।
৪) কমিয়ে ফেলুন সিগারেটের নেশা।
৫) ঘুমাতে যওয়ার আগে ভাল করে নাক ঝেড়ে নিন। নাক বন্ধ থাকলেই নাকের বদলে মুখ দিয়ে নিঃশ্বাস নিতে হবে। এবং নাছোড় নাক ডাকতে শুরু করবেই।
৬) ভোর বেলা উঠে নিয়ম করে প্রাণায়ম করুন।
আপনার নাকের ঢক্কা-নিনাদের চোটে যদি বাড়ি ঘর কাঁপার উপক্রম হয়, সাত-পাঁচ না ভেবে সোজা ডাক্তারের কাছে যান। জানবেন, লক্ষণটা মোটেও ভাল নয়।

অনলাইনে গেমেই ডুবে থাকে বাচ্চা? সাবধান হন!

অনলাইনে গেমেই ডুবে থাকে বাচ্চা? সাবধান হন!


ছবি: গেটি ইমেজেস।

আপনার বাচ্চা কি অনলাইনে গেম খেলতে ভালবাসে? দিন কে দিন কি ওজন বাড়চ্ছে বাচ্চার? আচ্ছা যদি বলি আপনার বাচ্চার খিদে বাড়ানোর জন্য এই অনলাইন গেমই দায়ী। তবে কী বলবেন? ভাবছেন ভুল বলছি। না একদম ভুল বলছি না। নেদারল্যান্ডসের এক দল গবেষক দাবি করেছেন অনলাইন গেম শিশুদের মধ্যে বেশি বেশি খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়।
নেদারল্যান্ডসের রাডবাউড বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে গবেষক দলের নেতা ফ্রান্স ফকভোর্ড জানিয়েছেন, প্রাইমারি ক্লাসের স্কুল পড়ুয়াদের নিয়ে তাঁরা গবেষণাটি করেন। হাজার খানেক পড়ুয়ার উপর পরীক্ষা নিরীক্ষা চালানো হয়। প্রথমে পড়ুয়াদের অনলাইনে গেম খেলতে দেওয়ার হয়। ক্যান্ডি অথবা ফলের উপরই বেশিরভাগ গেমগুলি। কয়েক জনকে আবার বিভিন্ন ধরণের খেলার সরঞ্জামের উপর খেলতে দেওয়া হয়। প্রতিটি গেম খেলার পর পাঁচ মিনিটের বিরতি দেওয়া হয় বাচ্চাদের। এই বিরতিতে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, ক্যান্ডি গেমের খেলাতে মগ্ন বাচ্চাগুলি স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে বেশি খেয়ে ফেলছে। স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে প্রায় ৭২ শতাংশ বেশি খেয়েছে তারা। যে সব বাচ্চারা খেলার সরঞ্জামের উপর গেম খেলেছে তাদের চেয়ে ৫৫ শতাংশ খাবার বেশি খেয়েছে ক্যান্ডি গেম খাওয়া বাচ্চারা।
কিন্তু কেন এই অস্বাভাবিকতা?
নেদারল্যান্ডসের গবেষণা আমাদের এক ভয়ঙ্কর সত্যির মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। দর্শকদের প্রলুব্ধ হওয়া থেকে আটকাতে টিভিতে বিজ্ঞাপনগুলি অনেক সময় ব্লক করে দেওয়া হয়। কিন্তু অনলাইন গেমের ক্ষেত্রে খুব সুচতুর ভাবে বিষয়বস্তুর মধ্যেই ক্যান্ডির বিজ্ঞাপনের মতো শিশুমনকে আকৃষ্টকারী বিজ্ঞাপন ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এর ফলে বাচ্চাগুলি অজান্তেই এই অস্বাভাবিকতার শিকার হয়ে পড়ে। অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করে তারা। হিতাহিত জ্ঞানশুন্য হয়ে খেলার পরই বেশি বেশি অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে ফেলে তারা। দেখা গিয়েছে অনলাইন গেম না খেলা বাচ্চার চেয়ে অন্তত ৫৫ শতাংশ খাবার বেশি খেয়েছে তারা। ফল যা হওয়ার তাই হয়। স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে সুস্থ থাকার চেয়ে অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে ওজন বেড়ে চলে বাচ্চাগুলির। অকালেই বিভিন্ন রকম রোগ বাসা বাধে ছোট্ট ছোট্ট শরীরে।
তাই এখনই নিয়ন্ত্রণ করুন আপনার বাচ্চার অনলাইন গেম খেলার প্রবণতা। না হলে বিপদের আর বেশি বাকি নেই।