পরে নিন এই ঘড়ি, আপনার চেয়ে স্মার্ট আর কে আছে?
ধরুন, মর্নিং ওয়াকে বেরিয়েছেন। যে গতিতে হাঁটছেন, তা একটু কমাবেন না
বাড়াবেন, ঠিক বুঝতে পারছেন না। হাতের ঘড়িটার দিকে তাকান। ঘড়ি বলে দেবে
আপনি ঠিক গতিতে হাঁটছেন কি না। আপনার শারীরিক অবস্থা যেমন, তার সঙ্গে
সামঞ্জস্য রেখে ঠিক কী রকম গতিতে আপনার হাঁটা উচিত, বলে দেবে স্মার্ট ওয়াচ।
হাঁটার বেগ যদি প্রয়োজনের তুলনায় বেড়ে যায়, কবজিতে বাঁধা গোলাকার
ডিজিটাল স্ক্রিনে ফুটে উঠবে সতর্কবার্তা— ‘আপনার হাঁটার গতি বেড়ে গিয়েছে।
গতি কমান।’
অথবা, বড় শহরের রাস্তায় ঠিকানা খুঁজে পাচ্ছেন না। একে ওকে জিজ্ঞাসা
করেও সন্ধান মিলছে না। ঘাবড়ে যাবেন না। আবার ঘড়ির দিকে তাকান। অল্প একটু
ঘুরিয়ে দিন ঘড়ির বেজেল। ডিজিটাল স্ক্রিনে ফুটে উঠবে জিপিএস অ্যাপ। পথ
দেখিয়ে পৌঁছে দেবে নির্দিষ্ট গন্তব্যে। কাউকে পথনির্দেশ জিজ্ঞাসা করার
প্রয়োজনই নেই।
বিশ্বাস হচ্ছে না? তা হলে একটা শো-রুমে গিয়ে দেখে আসুন ‘গিয়ার এস২’।
স্যামসাং-এর আনকোরা লঞ্চ এই স্মার্ট ওয়াচ। ঘড়ি হিসেবে তো কাজ করবেই। সঙ্গে
রয়েছে এক গুচ্ছ নতুন অ্যাপ্লিকেশন।
বেন টেন-কে চেনেন নিশ্চয়ই। হাতঘড়ির মতো দেখতে একটা গিয়ার বাঁধা থাকে
তার কবজিতে। সেই গিয়ার-ই বেন টেন-এর বিভিন্ন অলৌকিক শক্তির উৎস। অ্যানিমেশন
দুনিয়ার সেই গিয়ার-এর ধারণাকেই কিছুটা বাস্তব করে তুলেছে দক্ষিণ কোরীয়
ইলেকট্রনিক জায়ান্ট স্যামসাং। গিয়ার এস২-তে রয়েছে স্মার্ট ফোনের অধিকাংশ
অ্যাপ্লিকেশনই। রয়েছে আরও এমন কিছু অ্যাপস, যা প্রথম বার দেখলে বিশ্বাস করা
কঠিন।
স্মার্ট ফোন বাজারে আনার পর এটাই সবচেয়ে বড় ‘সারপ্রাইজ’ স্যামসাং-এর
তরফে। সংস্থার কর্তারা সে রকমই বলছেন। ঠিক যেমন ঝাঁ-চকচকে লুক্স নিয়ে
মোবাইল ফোনের বাজার কাঁপিয়ে দিয়েছিল স্যামসাং-এর স্মার্ট ফোন, স্মার্ট
ওয়াচেও সেই ভাবেই চোখ আটকে যেতে পারে। ৩০০ গান স্টোর করা যাবে স্মার্ট
ওয়াচে। এই ঘড়ি আবার স্মার্ট ফোনের সঙ্গে জুটি বেঁধেও চলতে পারে। মোবাইলের
প্লে লিস্টে আপনার মোস্ট প্লেড গান যেগুলি, সেগুলি ঠিক চিনে নেবে স্মার্ট
ওয়াচ। ফলে মর্নিং ওয়াকের সময় মোবাইলটা বাড়িতে ফেলে গেলেও সমস্যা নেই।
‘গিয়ার ভিআর’ হেডসেট কানে লাগিয়ে নিলে হাত ঘড়ি থেকে চলতে শুরু করবে মোবাইল
প্লে-লিস্টে থাকা আপনার প্রিয় গানগুলো।
No comments:
Post a Comment